শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ব্রাকের সহযোগিতায় সৌদি থেকে সজিবের মরদেহ দেশে

reporter / ৪৪৯ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২

মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ
 অর্থ সংকটের কারণে সৌদিআরব থেকে সজিবের মরদেহ দেশে ফিরে আনতে না পারার সংবাদটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর অবশেষে ব্রাকের আন্তরিক সহযোগিতায়  সজিবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হলো ।
গত ১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সময় এনজিও প্রতিষ্ঠান ব্রাকের সহযোগিতায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ  পৌছলে  ব্রাকের কর্মকর্তা ও স্বজনরা মতলবে উদ্দেশ্যে রওনা দেন । বিকাল ৫ টায় তার বাড়ী মতলব দক্ষিন উপজেলা উপাদী গ্রামে পৌছলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে ।
উল্লেখ্য মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদি উত্তর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দাস বাড়ী যুগল চন্দ্র দাসের ছেলে মাত্র ৪মাস পূর্বে বড় স্বপ্ন নিয়ে কর্ম সংস্থানের জন্য সৌদি আরবে যায়। ৪ মাস যেতে না যেতেই গত ১৩ মার্চ নিজ কক্ষে ষ্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন সজীব চন্দ্র দাস। পাসপোর্ট নম্বর -এ-০১৬৯৫২৯১। সে সময় তার পরিবার বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে লোন করে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তাকে সৌদি আরবে পাঠায়। তার পিতা যুগল চন্দ্র দাস জানায়, আমার তিন ছেলে এক মেয়ে। ছোট ছেলেকে অনেক আগেই সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলাম। বড় আশা নিয়ে আমার ভাতিজা হৃদয় দাসের মাধ্যমে প্রায় ৫লক্ষ টাকা এনজিও সংস্থা থেকে লোন তুলে আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠাই।  ৪ মাস যেতে না যেতেই আমার ছেলে স্টোক জনিত কারণে পরলোকগমন করেন। এখন আমি কি করে এনজিও র টাকা পরিশোধ করি। এ দিকে সৌদি আরব থেকে আমার ছোট ছেলে সজিবের লাশ আনতে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে আমাকে জানিয়েছিল । অর্থের অভাবে মরদেহ দেশে ফিরে আনতে না পারার সংবাদটি ধনাগোদা বার্তাসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে ব্রাক কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর হয়। তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় আমার ছেলে মরদেহ দেশে ফিরে আনা হয়েছে । ব্রাকের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ যারা সহযোগিতা করেছে সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সজিবের পিতা যুগল চন্দ্র দাস ।  রাতে সজিবের মরদেহ পারিবারিক শশ্বানে শেষকৃতকার্য অনুষ্ঠিত হবে ।


এই বিভাগের আরও খবর