শিরোনাম:
শাহরাস্তির কাদরায় ৬ ছেলের ঘরে ঠাঁই হলো না ৮৫ বছরের বৃদ্ধ মায়ের মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতা ও এনজিও কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার, আটক ৮ কিশোর মতলবে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক মতলব উত্তরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও পরোয়ানার ৭ আসামি গ্রেপ্তার দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি নেতা তানভীর হুদা প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ নেতার আন্তরিক সহযোগিতায় দেশে আসলো সৌদি প্রবাসীর মৃতদেহ ইসলামাবাদে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্মরণে মিনিবার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত চাঁদপুর পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরের জলাতঙ্ক রোগের ভেক্সিন প্রদান সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত চাঁদপুরে সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত মতলব উত্তর থানায় বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ৪, পরোয়ানাভুক্তসহ গ্রেপ্তার ৮

চাঁদপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

reporter / ৩৮৮ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামে স্ত্রী নাজমা আক্তারকে যৌতুকের দাবীতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যা মামলায় স্বামী আব্দুস ছালামকে মৃত্যুদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।
সোমবার (১২ জুন) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী এই রায় দেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ছালাম উপজেলার ৬নম্বর কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের মৃত আয়েত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক। হত্যার শিকার নাজমা একই উপজেলার একই ইউনিয়নের নাহারা গ্রামের মো. আবু তাহেরের মেয়ে।

মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, ২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল নাজমা ও সালামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনে পক্ষ সালামকে ১ লাখ টাকা মূল্যমানের জিনিপত্র দেয়। প্রায় একবছর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো চলছিলো এবং তাদের কন্যা সন্তান জন্ম হয়। এরপর বিভিন্ন সময় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ক্রয় করার জন্য নাজমার কাছ থেকে তার স্বামী ছালাম আরো যৌতুকের টাকা দাবী করে। ঘটনার দিন অর্থাৎ ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবী নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছালাম নাজমার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৪দিন পর ১৪ অক্টোবর হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর নাজমার বড় ভাই মো. সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে নাজমার স্বামী ছালামকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ছালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলাটির তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় কচুয়া থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরল ইসলাম খানকে। তিনি তদন্ত শেষে ১০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) খোরশেদ আলম শাওন জানান, মামলাটি দীর্ঘ ১৩ বছর চলাকালীন সময়ে আদালত ৭জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে। স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় দেন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. শাহজাহান মিয়া।


এই বিভাগের আরও খবর