শিরোনাম:
শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মতলব সরকারি কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ফরিদগঞ্জে প্রকাশ্যে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তলন \ নষ্ঠ হচ্ছে গ্রামীন সড়ক

reporter / ৪৪৯ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩

জাকির হোসেন সৈকত,ফরিদগঞ্জ:
অবৈধ ভাবে প্রকাশ্যে ফসলি জমির মাটি কাটার কর্মযজ্ঞ
চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। চলছে ফসলী জমির মাটিকাটা মহা
উৎসব। কৃষি জমি পরিনত হচ্ছে পুকুর-ডোবায়। দিন দিন
ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছে কৃষক, নষ্ট হচ্ছে সড়ক,
দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
মাটি পরিবহনে অবৈধ ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রলি ব্যবহারে
ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। আইন অমান্য করে
এমনি কর্মকাÐ চলছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ভেকু দিয়ে
এ মাটি কাটছে। অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচলে ধুলার কুয়াশায়
ডেকে গেছে গোটা এলাকা।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ১৫নং রুপসা উত্তর, ১৬নং
রুপসা দক্ষিন, ৩নং সুবিদপুর, ৫নং গুপ্টি, ৮নং পাইকপাড়া
ইউনিয়নে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে চলছে ভেকু দিয়ে মাটি
উত্তলন। এতে যেমন ফসলি জমি ক্ষতি হচ্ছে ঠিক তেমন নষ্ঠ হচ্ছে
গ্রামীন সড়ক। উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের নাম ব্যবহার
করে চলে এই সকল ভেকু ও অবৈধ ট্রাকটার। এই বিষয়ে দ্রæত
ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় লোকজন বলেন, ফসলী জমি ভেকু দিয়ে এই ভাবে মাটি
কেটে নেওয়ার কারনে জমির উরবরতা নষ্ঠ হয়ে যায়। এতে ফসল
উৎপাদন কমে যায়। এই সকল ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের জোর
দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এইসকল মাটি নিতে ব্যবহারিত
অবৈধ ট্রাকটারের কারনে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। থানা পুলিশ মেনেজ
করে চলে এইসকল ট্রাকটার। প্রথমে আটক করলে পরে টাকার
বিনিময়ে তা ছেড়ে দেওয়া হয়।

কয়েকজন ভেকুর মালিক বলেন, নিজের জমিতে নিজেরা মাটি
কাটবে তাতে আপনাদের সমস্যা কোথায়। আমরা এই সকল
মাটি কাটতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা মেনেজ করে করতে হয়।
আমরা সেটার নিয়ম মেনে কাজ করেছি। আমরা সব মেনেজ করে
রেখেছি।
ফরিদগঞ্জ থানা অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা
এই বিষয়ে কিছু জানিনা। তারা আমাদের না ব্যবহার করে এই
কাজ করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা বলেন, যেই
খানে এই ধরনের খবর পাই সেই খানে আমরা লোক পাঠিয়ে
থাকি। কিন্তু ঘটনাস্থলে ভেকুর মালিকসহ কাউকে না পেলে
আমরা আলামত নিয়ে আসি। আমরা কাউকে চাড় দেইনা দেবো
না। যারাই এই ধরেন কাজ করবে তাদের বিরোদ্ধে আইন অনুযায়ী
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর