শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ কচুয়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার মেঘনায় কার্গোর ধাক্কায় তলা ফেটেছে সুন্দরবন -১৬ লঞ্চের, নারী নিখোঁজ ষোলঘর আদর্শ উবি’র ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ হুমায়ূন কবির সুমন কচুয়ায় নবযোগদানকৃত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে শিক্ষক সমিতি শুভেচ্ছা মতলব উত্তরে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা উপাদী উত্তর ইউনিয়নে দীপু চৌধুরীর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহন মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে এক যুবক ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া দরবার শরীফের পীরের সঙ্গে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়ার সাক্ষাৎ

মান্দারী গ্রামে ছাত্র ও গণমাধ্যম কর্মীর নামে মামলা : এলাকার সচেতন জনমনে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ

reporter / ১৩৫ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে আবার মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেই একই ধারায় একই শাস্তির বিধানও রয়েছে। এক্ষেত্রে উভয় পক্ষ অর্থাৎ বাদী কিংবা বিবাদী উভয়ের জানা ও মর্জি‌ বা ইচ্ছার ওপর মামলার কার্যক্রম নির্ভর করছে। বর্তমান সময়কালীন মামলা-মোকদ্দমার এই সুস্পষ্ট বিধি-বিধান সম্পূর্ণ জেনে শুনে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪ নং শাহ‌্ মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মান্দারী গ্রামের মৃত আলী হোসেন কাজীর গুণধর পুত্র মোঃ মজিব কাজী ডেমকেয়ার মনোভাব নিয়ে এলাকার নিরীহ লোকজনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে চলেছে।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিহিংসাপরায়ণ মজিব কাজী কর্তৃক সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াটি মামলার মারাত্মক হয়রানির হাত থেকে অত্র গ্রামের নিরীহ লোকজন, সাধারণ ছাত্র, গণমাধ্যমকর্মী কেউই রেহাই পাচ্ছে না। এর ফলে এলাকার সাধারণ ও নিরীহ মানুষজন মারাত্মকভাবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। কেননা তার এই মিথ্যা মামলার হয়রানিতে ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়ে নিরীহ লোকজন নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমানে মজিব কাজীর এহেন মিথ্যা মামলার কারণে এলাকার সচেতন জনমনে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এছাড়া মান্দারী গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলাপূর্ণ সামাজিক পরিবেশও দিন দিনই বিঘ্নিত হচ্ছে এবং যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের জোর আশঙ্কা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী চাঁদপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জানা যায়, মান্দারী গ্রামের স্থায়ী অধিবাসী মোঃ মোস্তফা কাজীর দুই পুত্র যথাক্রমে‌ ওমর শরীফ (৩৫) ও সাব্বির কাজী (২৬)। এদের মধ্যে প্রথমোক্তজন চাঁদপুর জেলার ২৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’-এর স্টাফ রিপোর্টার এবং অপরজন চাঁদপুর সরকারি কলেজের‌ স্নাতক কলা বিভাগে প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, এই গণমাধ্যমকর্মী এবং নিরীহ সাধারণ ছাত্র দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে  থানায় কিংবা আদালতে কোন ধরনের অভিযোগ, মামলা-মোকদ্দমা ছিল না।
 তাদের সাথে এলাকার সকলের সদ্ভাব রয়েছে এবং এলাকাবাসী তাদের দুই ভাইকে অত্যন্ত ভাল জানে। মজিব কাজী কর্তৃক এহেন মিথ্যা মামলা দায়েরে সকলেই হতবাক ও বিস্মিত হয়েছে।
উক্ত মজিব কাজী গত ০৯/০৩/২০২২ ইং তারিখে চাঁদপুরের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত মোকদ্দমা নং-১৯৬/২০২২ইং দায়ের করেন। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৭/১১৭(সি) ধারার বিধান মোতাবেক ৩ জনকে প্রতিপক্ষ করেন। এরা হলেন, (১) মোঃ সবুজ গাজী (৩০), পিতা-আনোয়ার গাজী,(২) মোঃ শরীফ কাজী (৩৫) (কথিত মোঃ শরীফ কাজী বস্তুত জাতীয় পরিচয়পত্র মোতাবেক ওমর শরীফ), পিতা-মোঃ মোস্তফা কাজী,(৩) সাব্বির কাজী(২৬), পিতা-মোঃ মোস্তফা কাজী, সর্বসাং-মান্দারী, পোঃ-মহামায়া, থানা ও জেলা-চাঁদপুর। প্রার্থী ‌ বা বাদী উক্ত  মামলায় ঘটনার  তারিখ হিসেবে ০১/০৩/২০২২ ইং উল্লেখপূর্বক রোজ বা বার দেখিয়েছেন শনিবার এবং সময় ব্যক্ত করেছেন সকাল আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময়। – যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্ভট। বর্ণিত ঘটনার তারিখে রোজ বা বার ছিল মঙ্গলবার; কোন অবস্থাতেই তা রোজ বা বার শনিবার ছিল না।
সেইসাথে উক্ত আজগুবি ও কাল্পনিক মামলায় প্রার্থী বা বাদী যে আষাঢ়ের গল্পের ফাঁদ পেতেছেন তাতে মামলার সময় হিসেবে তিনি যে ঘটনাস্থলের সময় উল্লেখ করেছেন সেসময়  গণমাধ্যমকর্মী ওমর শরীফ অর্থাৎ প্রার্থী বা বাদী কর্তৃক কথিত মোঃ শরীফ কাজী সেইসময় ঘটনাস্থলেই  ছিলেন না। তিনি সেইসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেড-এর জাতীয়ভাবে ঘোষিত সরকারি একটি কর্মসূচিতে এবং পরবর্তীতে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সরকারি একটি কর্মসূচিতে। যার সুস্পষ্ট এবং উপযুক্ত ও দালিলিক সাক্ষ্য-প্রমাণাদি রযছে। উক্ত আষাঢ়ের গল্পের মামলায় প্রার্থী বা বাদী সম্পূর্ণ সাজানো, মিথ্যা ও ভুল তথ্য সন্নিবেশিত করে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালিয়েছেন। সেই সাথে বিজ্ঞ আদালতে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিজ্ঞ‌ ও পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।
সাংবাদিক ওমর শরীফ সেইসময় এবং দিনভর তার সাংবাদিকতা চাকুরীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মোতাবেক পৃথক দু’টি স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিমিত্তে একটিতে জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও নির্ধারিত সরকারি কর্মসূচিতে ‌ অংশগ্রহণ করে কর্মসূচির সচিত্র সংবাদ তৈরিতে নিয়োজিত ও ব্যস্ত ছিলেন। এমনকি ওইদিন এই দায়িত্ব পালনের পর পর তিনি চাঁদপুর শহরের ষোলঘর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়েও সেখানে তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি নিউজ কভারেজ-এর জন্য ফটোসেশন, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও নেতৃবৃন্দের বক্তব্য সংগ্রহে ব্যস্ত ও নিয়োজিত ছিলেন। যার উপযুক্ত সাক্ষ্য- প্রমাণ রয়েছে।
এই দু’টি সরকারি ও জাতীয় কর্মসূচির সচিত্র সংবাদ তৈরীর  কারণে তার (সাংবাদিক ওমর শরীফের) চাঁদপুর শহরেই দীর্ঘ সময় কেটে যায়। সন্ধ্যার পরে কোন এক সময় তিনি তার নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। পরদিন অর্থাৎ ০২/০৩/২০২২ ইং তারিখে ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় উল্লেখিত দু’টি বিষয়ের নিউজই সচিত্রসংবাদ আকারে তার নিজ নামে (ওমর শরীফ) প্রকাশিত হওয়ার দালিলিক সাক্ষ্য-প্রমাণাদি সংরক্ষিত আছে। অথচ প্রার্থী বা বাদী তার সাজানো ও মিথ্যা মামলায় অর্থাৎ তার মামলার আরজি বা বর্ণনায় উল্লেখিত ব্যস্ত ও নিয়োজিত থাকার সময়টিকেই উল্লেখ করে বস্তুত প্রার্থী ‌‌বা বাদী নিজেই সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলার নামান্তর হিসেবে আত্মঘাতী হওয়ার ফাঁদ পেতে সচেতন এলাকাবাসীর কাছে নিজেই হাস্যকর হয়েছেন।
কেননা ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আবদুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত গত ২৮/২/২২ ইং তারিখের অফিস আদেশের বর্ণনা অনুযায়ী, পরদিন ০১/০৩/২০২২ ইং তারিখ  বঙ্গবন্ধু পর্যটন কেন্দ্র চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেডে এবং পরবর্তীতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই পরদিন অর্থাৎ ০২/০৩/২০২২ ইং তারিখের ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় পৃথক পৃথক দু’টি সচিত্র সংবাদ ওমর শরীফ নামে প্রকাশিত হওয়ার প্রমাণাদি রয়েছে।
এ ব্যাপারে ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্দুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ওমর শরীফ, ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। তাকে আমি গত ২৮/২/২২ ইং তারিখে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে পরদিন অর্থাৎ ০১/০৩/২০২২ ইং তারিখে  বঙ্গবন্ধু পর্যটন কেন্দ্র চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডে চাঁদপুর জেলা ট্রাস্কফোর্স কমিটি কর্তৃক ‘জাটকা রক্ষা অভিমান’-এর শুভ উদ্বোধন, জনসচেতনতায় নৌ-রেলী এবং মহড়ার আয়োজন অনুষ্ঠানের সচিত্র সংবাদ পরিবেশনের জন্য দায়িত্ব প্রদান করি। উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ’।
তিনি এ ব্যাপারে আরও বলেন, ‘এছাড়া ওইদিন পরবর্তী সময়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে অপর একটি কর্মসূচির সংবাদ ও ছবি সংগ্রহের জন্য উক্ত অফিস আদেশের মাধ্যমে দায়িত্ব প্রদান করি। আমার জানা মতে এবং বিশ্বাস মতে, ওইদিন স্টাফ রিপোর্টার ওমর‌ শরীফ উল্লেখিত পৃথক দু’টি স্থানে পৃথক সময়ে উপস্থিত থেকে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং ছবি তোলা  সাপেক্ষে পৃথক পৃথকভাবে দু’টি সচিত্র সংবাদ ওইদিন সন্ধ্যা ৮ টায় ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকায় প্রেরণ করে। আমি পরদিন অর্থাৎ ০২/০৩/২০২২ ইং তারিখে ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় নিউজ-এর গুরুত্ব অনুযায়ী পৃথক পৃথকস্থানে প্রতিবেদক কর্তৃক তৈরি করার কারণে ওমর শরীফ নামেই যথারীতি দু’টি সচিত্র সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করি। এতে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়, ওইদিন ওমর শরীফ দীর্ঘসময় চাঁদপুরে থেকে‌ তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত ও নিয়োজিত ছিল।’
এ ব্যাপারে ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ওমর শরীফ ‘ এ প্রতিবেদককে জানান , ‘উক্ত মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো। যার উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। উক্ত মামলার প্রার্থী বা বাদী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সম্পূর্ণ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছে। মামলার ঘটনার সময় অনুযায়ী আমি সেইসময় ‘দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মহোদয়ের অফিস আদেশ পালনে অর্থাৎ আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনে দীর্ঘ সময় ধরে চাঁদপুর শহরের পৃথক দু’টি স্থানের কর্মসূচিতে নিয়োজিত ও ব্যস্ত ছিলাম। যার সুস্পষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে।
সাংবাদিক ওমর শরীফ ‘এ প্রতিবেদককে আরও বলেন, উক্ত সাজানো ও মিথ্যা মামলার প্রার্থী বা বাদী মজিব কাজীর সাথে আমাদের জমি-জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। এ সংক্রান্তে আমাদের একটি জিআর মামলার সে আসামি। স্রেফ, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সম্পূর্ণ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে মজিব কাজী আমাকে এবং আমার ছোট ভাইকে ব্যাপক হয়রানি করে মান সম্মান নষ্ট ও আর্থিকভাবে ক্ষতি করার জন্যই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এহেন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা আমাদের নামে সাজিয়ে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করেছে। আমি এ ব্যাপারে চাঁদপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির আশু সুদৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক ত্বরিত হস্তক্ষেপ কামনা করি। যাতে এই সাজান ও মিথ্যা মামলা দায়েরের নেপথ্যে প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হয় এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা সাপেক্ষে সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় ও অক্ষুন্ন থাকে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি‌ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সনির্বন্ধ  অনুরোধ করছি।’
এ ব্যাপারে সমাজ গবেষক অভিজ্ঞ ও পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, পল্লীর প্রত্যন্ত এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বৃহত্তর জনস্বার্থে তথা জনগণকে সকল ধরনের মিথ্যা মামলায় নিরুৎসাহিত করার জন্য চাঁদপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। নচেৎ দিন দিনই উক্ত এলাকার‌ সামাজিক পরিবেশ পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকবে এবং আইন‌-শৃংখলার চরম অবনতি ঘটতে থাকবে। তাই তাঁরা অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।


এই বিভাগের আরও খবর