চাঁদপুর জেলা পরিষদ জেলা বাসীর কাছে আস্থা ও বিশ্বাস জায়গায় পরিনত হয়েছে
—–বিদায়ী চেয়ারম্যান ওসমান গনি পাটোয়ারী
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটোয়ারী বলেছেন আমাদের দায়িত্বকালীন সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদ জেলা বাসীর কাছে আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা হিসাবে পরিচিত হয়েছে।এই পরিষদ বিগত দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব ও নির্দেশনার মাধ্যমে কাজ করে গেছে।এই পরিষদ দেশের প্রথম ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচিত পরিষদ।
২৪ এপ্রিল রবিবার বিকালে জেলা পরিষদের হল রুমে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটোয়ারী ও সাধারণ সদস্যদের জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেলের সঞ্চালনায় বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক চেয়ারম্যান আরোও বলেন আমাদের পরিষদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে দায়িত্ব পালনের শেষ সময় পর্যন্ত আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ছিলাম,তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছি।সুখে,দুখে তাদের পাশে থাকার সর্বাত্মক চেস্টা করেছি।পুরো জেলা ব্যাপী মেধাবী অসহায় ও অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন ও নগদ অর্থ,চেক বিতরন করেছি।অসহায়, দুস্থ,রোগী,কর্মহীন,গরীব মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।এই পরিষদ থেকে পুরো জেলা প্রায় সকল স্কুলে শহীদ মিনার করেছি।জেলার বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ,মন্দির,উপাসনালয়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আমরা অনুদান দিয়েছি।
বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটোয়ারী বলেন আমি আমার দায়িত্ব কালীন সময়ে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে ধারণ ও লালন করে আমি আমার কাজ করে গেছি।এই পরিষদ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচিত পরিষদ।এই পরিষদ জাতির শৈষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযুদ্ধোদের পাশে ছিলাম,তাদের সম্মান দিয়েছি।মেধাবী অসহায় ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছি।জাতিরপিতার আর্দশকে ছড়িতে দিতে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি বিতরন করেছি।
অসহায়,গরীব,দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছি।সাধারন মানুষকে শতভাগ সেবা দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে কাজ করেছি।তিনি আরোও বলেন পরিষদে দায়িত্ব নেওয়ার পদ থেকে আন্তরিকতা সাথে আমি অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি।অফিস কর্মকর্তাদের কাজের সময় বাচানোর জন্য আমি নিজেই তাদের কক্ষে গিয়েছি।অসুস্থ থাকা অবস্থায় নিজের বাসায় থেকে কাজ করেছি।বিদায়ী পরিষদের সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আজকের এই বিদায় বেলায় আপনাদের এমন ভালোবাসায় আমি আমার পরিষদের ভাই-বোনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।তিনি আরও বলেন জেলা পরিষদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে নমিনেশন চাইবো,নেত্রী দিলে নির্বাচন করবো।নতুবা যাকে দিবে তার জন্য নির্বাচন পরিচালনা করবো।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের উপ-সরকারি প্রকোশলী ইকবাল,সাবেক সদস্য ও মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী,আল-আমিন ফরায়েজী,রিপন পাটোয়ারী,মুকবুল হোসেন মিয়াজি,তুহিন মিয়াজি,সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আয়শা রহমান লিলি,জুবেদা মজুমদার খুশুি,রওশন আরা রত্বা,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারবেজ করিম বাবু প্রমুখ।
বিদায় অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্যায়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বিদায়ী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটওয়ারী সহ সকল সদস্যদের মাঝে ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া হয়।