শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

ফরিদগঞ্জের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ॥ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

admin / ৮৭৪ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১

পুরোপুরি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সোমবার গভীর রাতে অগ্নিকান্ডের এই ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে আনুমানিক ১৭ লাখ টাকায় ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা এবং পুড়ে যাওয়া কনক এন্টারপ্রাইজের মালিক জাকির হোসেন ও অন্য দোকানের মালিক নবী উল্লাহ জানান, অন্য দিনের মতো তারা রাত সাড়ে দশটার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। হঠাৎ রাত তিনটার দিকে শোনা যায় দোকানের দিকে কিসের যেন আওয়াজ হচ্ছে। পরে তারা ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তাদের দোকানে আগুন জ্বলছে। পরে তাদের ডাকচিৎকার ও পাশের মসজিদের মাইকে মানুষজনকে ডেকে এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চাঁদপুরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে এবং এলাকার জনগণসহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে কনক এন্টারপ্রাইজ ও নবী উল্লাহর মুদি দোকানের সমস্ত কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নবী উল্লাহর চা ও মুদি দোকানের গ্যাসের চুলা থেকে প্রথমে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত পাশের জাকির হোসেনের কনক এন্টারপ্রাইজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে এমনটা হতে পারে।

এ বিষয়ে কনক এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ জাকির হোসেন মিয়াজী সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তার দোকানটি মূলত ভ্যারাইটি মালামালে পরিপূর্ণ ছিল এবং তিনি একজন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা। তিনি একজন বিকাশ, নগদ, মোবাইলের লোড, মুদি মালামাল হার্ডওয়্যার এবং বিভিন্ন ধরনের জুতাসহ আরো বিভিন্ন মালামালের খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা। তার দোকানে সমস্ত মালামাল এবং নগদ ৯০ হাজার টাকা এবং দশটি মোবাইল সেট সহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাঁড়াবে বলে তিনি জানান।

তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, তার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। চাকরি শেষ হওয়ার পরে তার বাবার পেনশনের টাকা দিয়ে তিনি এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। তিনি সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছেন।


এই বিভাগের আরও খবর