শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

এখলাছপুর উবিতে কোচিং না করার অভিযোগে তিন শিক্ষকের বেতন বোনাস বন্ধ করে দিল স্কুল কর্তৃপক্ষ

reporter / ৩১৩ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে কোচিং বাণিজ্য করার। অথচ সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে কোচিং করাতে বাধ্য না হওয়ায় তিন শিক্ষকের বেতন বোনাস বন্ধ করে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
মতলব উত্তরের এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং না করায় বেতন বোনাস বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষককের কাছে বেতন চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখান বলে জানান শিক্ষকরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে কোচিং করাতে বলেন প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। কিন্তু শিক্ষকরা কোচিং না করার কারনে তাদের ২ মাসের বেতন ও ঈদুল ফিতরের বোনাস দেয়া বন্ধ করে দেয়  প্রধান শিক্ষক।
এই অবস্থায়  মানবেতর জীবন যাপন করছে সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসী, সুলেখা আক্তার ও রুমানা ফেরদৌসী।  শিক্ষকরা জানান, শিক্ষা মন্ত্রনালয় যেখানে কোচিং নিষেধ করে দিয়েছে, প্রধান শিক্ষক সেখানে কোচিং করতে বলছে। আর আমরা রাজি না হওয়ায় আমাদের বিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ৩ মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস বন্ধ করে দিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, তাদের বেতন দিতে চেয়েছি কিন্তু তারা নেয় না। এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন ঢালীর অনুমতিক্রমে বেতন ও বোনাস বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৫ মে আমাদের সাধারন সভা আছে। ঐ সভায় সিদ্ধান্তের পর তাদের বেতন,বোনাস দেওয়া হবে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য সোহরাব হোসেন বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি যে সিদ্ধান্ত নেয় সেটার সাথেই আমরা আছি।
একাডেমি সুপার ভাইজার সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি কেউ আমাকে অবহিত করেনি। করলে একটা সমাধান করা যেতো।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, এই বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থ্য নেওয়া হবে। এই বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন ঢালীর মোবাইলে (০১৭১১৫২১৫৫৪)  নাম্বারে কল দিলে তিনি বলেন, কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বেতন বোনাস বন্ধ রাখা হয়েছে। তারা কোচিং না করার জন্য নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২৫ মে কমিটির সভা হবে, এমন ও হতে পারে সেই সভা থেকে তাদের স্কুল কর্তৃক পাওয়া বেতন বন্ধ করে দিবো।এতে যদি তারা চাকরি করতে না চায় তাহলে চলে যাবে।


এই বিভাগের আরও খবর