শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

ফরিদগঞ্জে সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নে কাবিটার কাজের ব্যাপক অনিয়মেরঅভিযোগ

reporter / ২৭৭ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফরিদগঞ্জে সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের নামে কাবিটার
কাজের অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়
লোকজনের চাপের মূখে কাজ বন্ধ করে চলে যায় চেয়ারম্যানের
মননীত লোকজন। ৩১শে জানুয়ারী মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা বরাবর চিঠি প্রদান করেন ভুক্তভোগিরা। এসময়
কাজের গুনগত মান নিয়ে বিরোপ মন্তব্য করেন তারা।
ঘটনার সূত্রে জানাযায়, উপজেলার ৪নং সুবিদপুর ইউনিয়নে
শোল্লা পাঁকা রাস্তা থেকে বেপারী বাড়ি অভিমুখি রাস্তার
সিসি ঢালাই করে করার প্রকল্পে রয়েছে। কিন্তু সেই রাস্তায়
কোন রকম নিয়মনীতি না মেনে রাস্তার মাটির উপরে
নিম্নমানের মালামাল দিয়ে কাজ শুরু করা হয়। এসময় স্থানীয়
লোকজন বাঁধা দিলে তাদের উপর চড়াও হন চেয়াম্যানের ভাইসহ
কয়েকজন। পরে স্থানীয় লোকজনের চাপের মূখে কাজ বন্ধ করতে
বাধ্য হন চেয়ারম্যান।

পিআইও অফিস সূত্রে জানাযায়, ২লক্ষ ৪৫ হাজার টাকার
কাবিটা প্রকল্পে কাজ এটি। রাস্তাটির ২৬০ মিটার দৈর্ঘ্য প্রস্থ
৭ মিটার করার কথা রয়েছে। প্রকল্পের সভাপতি করা হয় ওয়ার্ড
মেম্বার সৈকত মোল্লাকে। যার প্রথম দাপের ৬০ হাজার টাকা
উত্তোলন করা হয়েছে। এদিকে সভাপতি নিজে যানেনা কবে
থেকে কাজ শুরু হয়েছে। কাজটি পরিচালনা করেন চেয়ারম্যানের
ছোট ভাই ইমাম হোসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর হোসেন, ইয়ামিন, ফয়সাল ও আবু
তাহের বলেন, এই কাঁচা রাস্তাটি উপরে কোন প্রকার কাজ না
করে নিন্মমানের ইটের কনা দিয়ে ঢালাই শুরু করা হয়। পাশের
এজিং পর্যন্ত লম্বা করে দিয়ে কোন রকম দায় সাড়া ভাবে করে
যাচ্ছে। আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমরা
বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ
দিয়েছি। আমরা চাই সঠিক ভাবে রাস্তার কাছটি সম্পূর্ণ
হোক।
প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় মেম্বার সৈকত মোল্লা বলেন, আমি
প্রকল্পের সভাপতি আমি জানিনা কবে শুরু করেছে। স্থানীয়
লোকজন বলেছে কাজে অনিয়ম হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি
দায় সাড়া ভাবে কাজ করিতেছে চেয়ারম্যানের ছোট ভাই ইমাম।
আমি হট্টগোল দেখে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি।

চেয়াম্যান মহসিন খাঁনকে একাদিক বার ফোন করেও পাওয়া
যায়নি। পরে অফিসে গেলেও পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মিল্টন দস্তিদার বলেন, এখনও
আমরা কোন প্রকল্প পরির্দশ করি নাই। পাইনাল বিল দেওয়ার আগে
কাজ দেখে নিবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা বলেন,
অভিযোগ পেয়েছি এবং আগামী কাল ঘটনাস্থলে গিয়ে
বিষয়টি দেখবো।


এই বিভাগের আরও খবর