শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

সালিশ মানে না, রায় মানে না। কারা চালায় এমন অদৃশ্য শাসন

reporter / ৩৪২ ভিউ
আপডেট : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

ফরিদগঞ্জে বিচারের রায় পেলেও শান্তি মেলেনি প্রবাসী পরিবারের ।। বিরাজ করছে চাপা আতঙ্ক 
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি : ফরিদগঞ্জে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতের রায় পাওয়া সত্ত্বেও প্রবাসীর ঘর নির্মাণে বাধা, হুমকি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য।
ঘটনাটি উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কড়ৈতলী এলাকায়। প্রবাসফেরত শরীফ হোসেন জানান, বিএস-৭৭৫ নং খতিয়ানের ৫১০১ দাগে তার মালিকানাধীন জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে প্রতিবেশী রফিক ও শফিকুর ইসলাম আদালতে ১৪৫ ধারায় আবেদন করেন। আদালত তদন্ত শেষে শরীফের পক্ষে রায় দেন এবং প্রতিবাদীদের আবেদন খারিজ করে দেন।
প্রাপ্ত কপি অনুযায়ী, গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে চাঁদপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আদেশে বলেন, “আবেদনকারী পক্ষের প্রমাণের অভাবে ১৪৫ ধারা বাতিল করা হলো।”
তবে আদালতের রায় সত্ত্বেও শরীফ হোসেনের পরিবার ঘর নির্মাণ শুরু করলে অভিযুক্ত রফিক-শফিকুরদের পক্ষ থেকে  বাধার সৃষ্টি করা হয়। এক পর্যায়ে শরীফ হোসেনের বাবা মো. রুহুল আমিন গত ২১ এপ্রিল ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা বাহির থেকে লোক এনে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে, পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং নির্মাণকাজে বাধা দেয়। তিনি আরও জানান, আদালতের রায়ের কপি দেখানো হলেও তারা তা মানেননি।
স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশি বৈঠক হলেও প্রতিপক্ষ পরিবার সিদ্ধান্ত মানেনি বলে জানান বাসিন্দারা। এলাকার লোকমান হোসেন দর্জি বলেন, ‘আদালতের রায় অনুযায়ী সালিশে উভয় পক্ষের সমঝোতা হয়েছিল, কিন্তু রফিক-শফিকুরের পরিবার তা মানে না।’
প্রতিবেশী রহিমা বেগম বলেন, ‘ওই দিন হঠাৎ চিৎকার শুনে এগিয়প গিয়ে দেখি রফিকের মা আমাকে গালমন্দ করছেন। পরে শুনি, নিজের শাশুড়িকে ব্লেড দিয়ে আঘাত অন্যদের উপর চাপানো হয়েছে।’
স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, আদালতের রায় কার্যকর করে যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভুক্তভোগী পরিবার তাদের ঘর নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর