শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ অপহরণ মামলায় খালাস

reporter / ২২৪ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হত্যা, ধর্ষণ ও অপহরণসহ ১১ মামলার আসামী দেশজুড়ে আলোচিত সিরিয়াল লেডি কিলার রসু খাঁ রুমা আক্তার নামে গার্মেন্টস শ্রমিককে বিয়ের প্রলোভনে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এই রায় দেন।
অপহরণের শিকার রুমা আক্তার রাজধানীর উত্তরায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার পাঁচরুকী গ্রামে।
মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর মাসে লেডি কিলার রসু খাঁ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রুমা আক্তারকে চাঁদপুরে সদরের বালিয়া ইউনিয়নে মামার বাড়িতে নিয়ে আসে। রুমা এখানে এসে দেখেন তার পূর্বের স্ত্রী সন্তান আছে। তখন রুমা আর রসু খাঁর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে ১৭ ডিসেম্বর রাতে রুমাকে ঢাকায় নিয়ে যাবে বলে রসু খাঁ ওই ইউনিয়নের চাপিলা বিলের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। রুমার চিৎকার আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে রসু খাঁ কেটে পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সংবাদ পেয়ে রুমার পিতা মো. গিয়াস উদ্দিন চাঁদপুরে আসেন এবং মেয়ে সুস্থ্য হওয়ার পর ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারি চাঁদপুর সদর মডেল থানায় বিয়ের প্রলোভনে অপরহণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় রসু খাঁকে আসামী করে মামলা করেন।
মামল তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান তদন্ত শেষে ২০০৫ সালের ২৯ এপ্রিল আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবু বলেন, মামলাটি দীর্ঘ ১৮ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় ৮জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে। সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় দেন।
রসু খাঁর বিরুদ্ধে নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণের দায়েরসহ ১১ টি মামলা হয়। তিনটিতে মৃত্যুদন্ড, দুইটিতে খালাস ও ছয়টি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন দেবাশীষ রায় ও এবং সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটার (এপিপি) ছিলেন খোরশেদ আলম শাওন।
এর আগে ১১ জন নারীকে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রসু খাঁ। খুন হওয়া নারীদের সবাই পোশাক কারখানার শ্রমিক। তাদের বয়স ছিল ১৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।


এই বিভাগের আরও খবর