শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ কচুয়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার মেঘনায় কার্গোর ধাক্কায় তলা ফেটেছে সুন্দরবন -১৬ লঞ্চের, নারী নিখোঁজ ষোলঘর আদর্শ উবি’র ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ হুমায়ূন কবির সুমন কচুয়ায় নবযোগদানকৃত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে শিক্ষক সমিতি শুভেচ্ছা মতলব উত্তরে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা উপাদী উত্তর ইউনিয়নে দীপু চৌধুরীর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহন মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে এক যুবক ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া দরবার শরীফের পীরের সঙ্গে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়ার সাক্ষাৎ

ফরিদগঞ্জে শিক্ষকের অমানবিক বেত্রাঘাতে আহত শিশু ছাত্র রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

reporter / ১৩০ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের অমানবিক বেত্রাঘাতে আরমান হোসেন (৯) বছর বয়সী এক শিশু ছাত্র গুরুতর আহত হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত ১ জুলাই ওই উপজেলার ধানুয়া গ্রামের সেকান্দর খান বাড়ি আশরাফুল উলুম মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। বেত্রাঘাত করা ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল মালেকের চাপে শিশুটি তার পরিবারকে কিছু না জানালেও ঘটনার তিন দিন পর সে অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারের জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।
আহত শিশু আরমান হোসেন জানায়, আমি ঠিকমত পড়া না পারার কারণে এবং ফজর নামাজের সময় ঘুম থেকে দেরি করে উঠার কারণে মালেক হুজুর আমাকে কস্টেপ পেছানো বাসের বেত দিয়ে আমাকে অনেক মারধর করেছেন।
শিশু আরমানের পিতা আবুল খায়ের জানান, গত ১৫/২০ দিন পূর্বে তিনি তার শিশু পুত্রকে ধানুয়া গ্রামের আশরাফুল মাদ্রাসায় নূরানী শাখায় ভর্তি দেন। গত ৩ জুলাই তার ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে তিনি ওই মাদ্রাসায় গিয়ে জানতে পারেন মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আব্দুল মালেক তার ছেলেকে অমানবিকভাবে বেত্রাঘাত করে রক্তাক্ত যখন করেছেন। বেত্রাঘাতে শিশু আরমানের পিঠে প্রত্যেকটি বেতের আঘাতের স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে আছে।
তিনি জানান, তার শিশু ছেলের প্রতি এমন অমানবিক নির্যাতনের কথা জিজ্ঞেস করলে ওই সহকারী শিক্ষক আব্দুল মালেক উল্টো তাকে বিভিন্ন হুমকি স্বরূপ কথাবার্তা বলেন। পরে তিনি ঐ শিক্ষকের সাথে কোন কথা না বাড়িয়ে তার ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষক আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগী পিতা।
এ বিষয়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে চাইলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মাদ্রাসার দায়িত্বরত শিক্ষক হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন যখন ঘটনা ঘটেছে আমি এই বিষয়টি অবগত ছিলাম না। কিন্তু যেদিন শিশুটির অভিভাবকরা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিতে এসেছেন, তখন ওই হুজুরের সাথে বাকবিতন্ডা হওয়ার কারণে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি।


এই বিভাগের আরও খবর