শিরোনাম:
মতলবে অবৈধ বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু খুনিদের ফাঁসি হোক, নিরীহ আওয়ামী লীগের ক্ষতি যেন না হয় : এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী মতলব উত্তরে ডাকাতি মামলার আসামি’সহ গ্রেপ্তার ৩ ১০ সন্তান থেকেও আশ্রয়ের অনিশ্চয়তায় ৮০ বছরের জয়নব, দুই মাসের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার, অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াত নেতার পক্ষে সংবাদ সম্মেলন মতলবে উত্তর বাইশপুর গণ কবরস্থানের কমিটি গঠন শাহরাস্তির কাদরায় ৬ ছেলের ঘরে ঠাঁই হলো না ৮৫ বছরের বৃদ্ধ মায়ের মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতা ও এনজিও কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার, আটক ৮ কিশোর মতলবে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক মতলব উত্তরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও পরোয়ানার ৭ আসামি গ্রেপ্তার

মেঘনার ভাঙনে বিলিন হচ্ছে ঈশানবালার মানচিত্র

reporter / ৪০৫ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বাধীনতার পর থেকে মেঘনার ভাঙনে চাঁদপুর জেলা, বিগত ৫০ বছরেও ভাঙন রোধে রোধে  স্হানীয় বাঁধ দেওয়া হয়নি, ফলে শুস্ক মৌসুমে মেঘনার ছোবলে নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে , তার চেয়ে বেশি ভাঙনের শিকার হয় বর্ষা মৌসুমে,
প্রতিবছর ভাঙন রোধে সরকারি ভাবে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ  করে, কোন রকম ভাবে জিও বেগে বালু ভরে কিনবা আংশিক  সিসি ব্লক ফেলে জোরাতালি দিয়ে ঠেকানো হলেও তাহা আবার নদী গর্ভে চলে যেতে দেখা যায়।এতে করে সরকার যেমনি আর্থিক ভাবে  ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে , ঠিক তেমনি করে নদীর পারবাসি ভিটে মাটি হারিয়ে নিশ্বঃ হচ্ছে।
এদিকে চাঁদপুর  জেলার হাইমচর  উপজেলার  ৪ নং নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদের  আওতাধীন  ঈশানবালার চর অঞ্চল  মেঘনার ভাঙনে  মানচিএ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, চলতি শুস্ক মৌসুমে কয়েক কিলো মিটার কৃষি জমি মেঘনার বুকে তলিয়ে গেছে, এতে করে কৃষকদের কয়েক হেক্টর কৃষি জমি চলে যাওয়ায়, কৃষকরা কৃষি ফলাতে পারছে না বলে তারা জানান,
কৃষকরা আরো জানান আমাদের পৈতৃক  সম্পর্ত্বিতে আমরা কৃষি কাজ করে ফসল ফলিয়ে জীবিকা অর্জন করি, অথচ স্হানীয়  বাঁধের কারনে প্রতি বছরই রাক্ষসী  মেঘনার ভাঙন কবলে আমরা ভিটে হারা হয়, তার সাথে কর্মহীন  হয়ে পরি। বার বার সরকারি ভাবে পদক্ষেপ  নেওয়া হলেও বিগত ৩০ বছরেও তাহা বাস্তবাহিত হয়নি, যার কারনে অনেক মানুষ আজ অনেএে চলে গেছে, কমে গেছে জনসংখ্যা।
এদিকে ঈশানবালার ব্যবসায়ি সহ এলাকাবাসি আমাদের জানান, আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি মেঘনার ভাঙন, আমাদের বাব দাদা কালের বহু সম্পদ মেঘনার বুুকে তলিয়ে গেছে, কিন্তু কখনো ফিরে পাই না ওই সব সম্পদ, তাছারা পুরনো বাজার টি মেঘনার মাঝ নদীতে, বিগত ২৫ বছরে মেঘনার ভাঙন কবলে পরে ঈশানবালা বাজার আজ চতুর্থ বাজারে পরিণত হযেছে, বিগত বছরে একে একে তৈরিকৃত মোট ৩ টি বাজার নদি গর্ভে বিলীন  হযেছে, বর্তমানে যেই বাজার টি করা হয়েছে তাহা চতুর্থ  বাজার, এই বাজারে শ্বতাধিক দোকনাপাট রযেছে, স্হানীয়  মানুষ ব্যবসা করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করে আসছে, চলতি বছর যদি বাঁধের কোন ব্যবস্হা না করা হয়, হয়ত আগামী বছর নদীটি বাজারে এসে মিলিত হবে। এ বাজারে ৪ নং নীলকমল  ইউনিয়ন  পরিষদ সহ রযেছে পুলিশ ফাঁড়ি, ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এসব প্রতিষ্ঠানের কারনে আইনের নিরাপত্বা, নাগরিক সেবা সহ শিক্ষার আলোর প্রদীপ, মেঘনার ভাঙন দীর্ঘ হলে এসব সেবা থেকে ইউনিয়ন  বাসি বঞ্চিত  হবে বলে তারা জানান,আর তাই ৪নং নীলকমল ইউনিয়ন  মেঘনার ভাঙন থেকে রক্ষা করতে  শিক্ষামন্ত্রী  সহ চাঁদপুুরের জেলা প্রশাসক  অতবি জরুরী ব্যবস্হা গ্রহন করে ভাঙন এলাকায়  সি সি ব্লক দিয়ে বাঁধের ব্যবস্হা করার জর্ন জোর দাবি জানান এলাকাবাসি সহ ইউনিয়ন  বাসি।


এই বিভাগের আরও খবর