শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

পুরানবাজার নতুনবাজারের নড়বড়ে শহর রক্ষা বাঁধ; ঝুঁকিতে সাড়ে ৫ লাখ মানুষ

reporter / ২৮০ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

রিয়ন দেঃ  চাঁদপুরের পুরানবাজার ও নতুনবাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদীপাড়ের সিসি ব্লক দেবে গিয়ে শহর রক্ষা বাঁধ নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। যেজন্য নদীর পাড়ে বসবাসকারী প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ নদী ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে।
২৪ আগস্ট বুধবার শহরের টিলাবাড়ী, যমুনারোড, হরিসভা, রোনাগোয়াল ও নতুনবাজারের ডাকাতিয়ার পাড় ঝুঁকিতে রয়েছে।
চাঁদপুর পানি উন্নয়নবোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী চাঁদপুরের নতুন বাজার, পুরান বাজার শহর রক্ষা বাঁধের দৈর্ঘ্য ৩৩৬০ মিটার। যা ১৯৭২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পে ১৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণে কাজ করেছে সরকার। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের টিলাবাড়ি, যমুনা ঘাট, হরিসভা, রোনাগোয়াল ও নতুনবাজারের ডাকাতিয়া নদীর পাড়সহ ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসহ বাঁধের সর্বমোট ১০৯ মিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় নদীপাড় এলাকার মানুষজন ও চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, মেরামত নয়, সংস্কার নয় বরং টেকসই, মজবুত ও স্থায়ী শহর রক্ষা বাঁধের প্রয়োজন নদী পাড়ের মানুষের। কেননা ব্যবসায়ীক কেন্দ্র পুরানবাজারসহ নদী পাড়ের বসবাসকারী মানুষের বাড়ি-ঘর, মসজিদ-মন্দির, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, ইমারতসহ সাড়ে পাঁচ লক্ষাধিক লোক বর্তমানে ভাঙ্গণ আতঙ্কে রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় রামঠাকুর দোল মন্দির এবং মসজিদসহ ট্রলারঘাটটিও আওতায় আনতে হবে। জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রিফাত জামিল বলেন, শহর রক্ষা বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটুকুসহ স্থায়ী বাঁধ পুনর্বাসনের জন্য ৩৪শ’ ৩২ কোটি টাকার একটি ডেভোলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। যেখানে ৮শ’ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা কাজ পুনর্বাসন এবং ২৬শ’ কোটি টাকায় ১৩ কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিং এবং ৭৯০ হেক্টর ভূমি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে। এই উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদন হলেই দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ১১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪শ’ ১৪ কোটি টাকার সম্পত্তি রক্ষা করা সম্ভব হবে।
এস এম রিফাত জামিল আরও বলেন, ভাঙ্গণস্থানে ইতিমধ্যে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে ৪ হাজার জিও খালি ব্যাগ, ৩ হাজার বালি ভর্তি ব্যাগ ও ১৩ হাজার সিসি ব্লক মজুদ রাখা হয়েছে। আমরা ২০১৯ সাল হতেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছি। জনকল্যাণকর এই কাজের জন্য অনুমোদন চেয়ে সবশেষ ২০২২ সালে এই ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে আবারো পাঠিয়েছি।


এই বিভাগের আরও খবর