শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

মহাবিপদ সংকেতের দিনেই সরকারি নির্দেশনা না মেনে পরিক্ষা নিলেন ওয়াই ডাব্লিওসিএ

reporter / ২৬৫ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড় মোখার  প্রভাবে যখন আতঙ্কিত পুরো দেশ  ঠিক এমনই একটি সময়ে সরকারি ভাবে বন্ধ থাকা সত্বেও সরকারি নির্দেশনা না মেনে মহাবিপদ সংকেতের দিনেই পরিক্ষা নিলেন ওয়াই ডাব্লিওসিএ নার্সারী।
 ১৪ মে রবিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের প্রান কেন্দ্র জোড় পুকুর পাড়ে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে গিয়ে ঠিক এমন চিত্র দেখা যায়। তবে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদিন প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।এমন একটি মহাবিপদ সংকেতের দিনেই বিদ্যালয় খোলা ও পরিক্ষা নেওয়া নিয়েও অভিবাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো অভিবাবক মনে করেন এ ধরণের সিদ্ধান্ত  বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির  মনগড়া ও হটকারী সিদ্ধান্ত তারা আগে থেকেই জানতো তারপরও কেনো খোলা রাখলো।আজকে যদি সত্যি সত্যি ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডব  শুরু হয়ে যেত। তাহলে এই পরিস্থিতিতে শিশু  শিক্ষার্থীরা কি বিপদে পড়তো । আর মোখার প্রভাবে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ নেই, প্রায় এলাকায় গ্যাসের সংকট । শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতো  একটা বিষয় থাকে। তারা কি এগুলো ভাবে। আবার কোনো কোনো অভিবাবক মনে করেন চাঁদপুরে এখনো পরিস্থিতি ভালো আছে।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক    পাপড়ি বর্মন জানান, বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর ৬৩২ জন । আজকে পরিক্ষা দিয়েছে ৪০০ জন।  সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সবার পরিক্ষা ছিলো না।তবে এদিন বিদ্যালয় খোলা নিয়ে তিনিও কিছুটা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায়।
এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  ( আইসিটি ও শিক্ষা ) বশির আহমেদ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রাখার কথা। আপনি একটু প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সাথে কথা বলেন।
তবে সচেতন মহল মনে করেন বিদ্যালয় কতৃপক্ষের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও উচিত হয়নি। তারা জানতো বড় ধরনের একটি ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে তারা কিভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়। আজকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এটিতো আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানী। যদি হতো আর সেই পরিস্থিতিতে যদি কোনো শিশু শিক্ষার্থী বড় কোনো বিপদে পতিত হতো তখন তারা কি করতো। এছাড়া সরকারি ভাবেও দুই দিন ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করে । তারা কি সরকারি নিয়ম নীতি মানবে না।


এই বিভাগের আরও খবর