শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযান এক মাসে ৬০০ জেলে আটক

reporter / ২৪০ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, জাটকা সংরক্ষণের অভিযান গত ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে তা চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।  এই সময়ের মধ্যে দেশের ৫টি প্রধান অভয়াশ্রমে কোন ধরণের মাছ ধরার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমাদের নৌ পুলিশ দিন ও রাত ২৪ ঘন্টা অনবরত কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের চাঁদপুর অঞ্চলে গত ১মাস আইন অমান্য করে যারা মাছ শিকার করেছে এমন ৬ শ জন জেলেকে আটক করেছি। তাদের বিরুদ্ধে ৮০টির অধিক মামলা করা হয়েছে। ৩০টির অধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এসময়ে ৬ কোটি মিটারের অধিক কারেন্টজাল উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩৯টি জেলে নৌকা মাছ ধরা অবস্থায় জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে অভয়াশ্রম এলাকায় নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

এসপি বলেন, আজকের অভিযানের তথ্য হচ্ছে আজকে আমাদের ৬ ইউনিট কাজ করেছে পদ্মা-মেঘনা নদীতে। এই অভিযানে ১ কোটি মিটার কারেন্টজাল উদ্ধার করেছি। ৪২ জন জেলে আটক হয়েছে। এসব জেলেদের কাছ থেকে ৫শ’ কেজি জাটকা জব্দ করেছি। এই সংক্রান্ত ঘটনায় ৯টি মামলা করা হবে।

অভিযান চলাকালীন সময়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ নেই এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, আসলে পদ্মা-মেঘনা নদী হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এই বিস্তীর্ণ এলাকা আমাদের যে পরিমান জনবল ও লজিস্ট্রিক সাপোর্ট রয়েছে তা দিয়ে একসঙ্গে নজরদারীতে রাখা অসম্ভব। বিশেষ করে রাত্রি বেলায়। টস লাইট দিয়ে কতটুকু নজরদারিতে আনতে পারবেন। অর্থাৎ আমরা ১ থেকে সোয়া কিলোমিটার দেখতে পারব। কিন্তু এখানে পদ্মা-মেঘনার মোহনা এপাড় থেকে ওপাড় ১৫ কিলোমিটার। আমাদের একটি ইউনিট এই প্রান্তে থাকলে অপরপ্রান্তে কি হচ্ছে সেটা আসলে জানাযায় না। কিন্তু নৌপুলিশ যখন যায়, তখনই তাদেরকে (জেলেদের) হাতে নাতে আটক করে। সে কারণেই এত সংখ্যক আটক হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং আমাদের এই কাজ অব্যাহত আছে।

অভিযানে নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন শিকদার, চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনার্চজগণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে নৌ পুলিশের প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য অংশগ্রহন করে।


এই বিভাগের আরও খবর