শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

চৈত্রের তাপদাহে হাইমচরে লাফিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, হাসপাতালে শয্যা খালি নেই

reporter / ৩৩৮ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরের হাইমচরে গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দাবদাহে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিনে প্রায় ৭৫জন ডায়রিয়া রোগী হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৪জন।
রোগীদের স্বজনরা জানান, হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও রোগীদেরকে পর্যাপ্ত সেবা দিতে ডাক্তার নার্সরা যথেষ্ট সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তারা খুবই আন্তরিক। তারা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন।
হাইমচর উপজেলার উত্তর আলগী গ্রামের বাসিন্দা সাজেদা বেগম তার ডায়রিয়া আক্রান্ত ৩ বছরের শিশু আঁখীকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ছোট বাইচ্চাডারে দুই দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি করছি। হেরে ওষুধ দিছে, আগের তে উন্নতি হইছে, কিন্তু এখনও হের ডায়রিয়া ভালো হইছে না।’
পুর্বচর কৃষ্ণপুর গ্রামের ফজল আহমেদ তার ডায়রিয়া আক্রান্ত বৃদ্ধ মা কে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমার মা গত পরশু দিন থেকেই ডায়রিয়া আক্রান্ত। বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও অবস্থার উন্নতি হয় না। কাল ইফতারের পরে মা খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে। হাসপাতালে আনার পর ডাক্তার মা কে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেয়। বর্তমানে মা কিছুটা সুস্থ আছে। ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসক বলেন, ‘অপরিষ্কার পানি ও খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লামিশ্রিত হাত মুখে দেয়ার কারণে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ খাবারের বিষয়ে মায়েদের সাবধান হতে হবে।’ তাছাড়া, বয়স্কদের বেশি বেশি নিরাপদ পানি ও খাবার স্যালাইন গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন,  বর্তমানে যে হারে রোগী বাড়ছে এটা সত্যিই উদ্বেগজনক। হাসপাতালে একটি সিটও খালি নেই। প্রতিনিয়ত রোগী বাড়ছে। চিকিৎসা দিতে ডাক্তার, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তবে, ‘হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হচ্ছে না। আমরা রোগীদের সেবায় সব সময় নিয়োজিত।’


এই বিভাগের আরও খবর