বিশেষ প্রতিনিধি :
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেছেন, মার্চ মাস বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। আর এই মাসেই পাকিস্তানের দোসর বিএনপি-জামাত বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে কটাক্ষ করছে। তাদের এই কর্মকাণ্ড গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে। তাই এদের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) রাজধানী ঢাকার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, এই মার্চ মাসের ১৭ তারিখ আমাদের জাতির পিতা বন্ধু জন্মগ্রহণ করেছেন। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। এই মাসের ২৫ তারিখ আমাদের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি হানাদাররা ঝাপিয়ে পরে বহু মানুষকে হত্যা করেছে। এর পরেই ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর আমরা কাঙ্খিত স্বাধীনতা লাভ করি। সর্বপরি এ মাসের ৭ তারিখ এক যাদুকরি ভাষণে বাঙালিকে জাগ্রত করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ উপহার দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বিএনপি-জামাতের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, ক্ষমতায় যেতে চাইলে আপনাদের মানুষের কাছে যেতে হবে। ভোটের ময়দানে যেতে হবে। এভাবে বিদেশী প্রভুদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যাওয়া যায়না। আর এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে দেশের জনগন এখন সোচ্চার। তাই কোন প্রকার ষড়যন্ত্র হলে জনগনকে সাথে নিয়ে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।
এসময় রমজানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাড়াতে প্রতিটি নেতা-কর্মীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে সরকারের সকল উন্নয়ন সাধারণ জনগনের সামনে তুলে ধরার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
১৪ দলের সমন্বয়ক এবং মুখপাত্র আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা ডা. শাহাদাৎ হোসেন, গণআজাদী লীগের সভাপতি এসকে সিকদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের নেতা মো. রেজাউল রশিদ খান, গণতন্ত্র মজনু পাটির সভাপতি জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।