শিরোনাম:
মতলব দক্ষিণে দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত মতলব উত্তরের ইন্দুরিয়া বেগম খালেদা জিয়া স্মরণে মিনিবার টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন চাঁদপুরে দোকান ভাড়ার বিরোধে ব্যবসায়ী কাজী হুমায়ুন আটক মতলব উত্তরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত চাঁদপুরে ঠোঁটকাটা-তালুকাটা রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার শুরু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকায় চাঁদপুরে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কৃষক ও কৃষির উন্নয়নেই এগিয়ে যাবে দেশ: মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতলবে বিল থেকে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কা পূর্ব ফতেপুরে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী আরব আলী মোল্লা

ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

reporter / ২৩২ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

গিয়াস উদ্দিন:
  চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৬নং  রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি পরিবারের ২০টি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বুধবার দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে অন্তত ১ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের বেচার বাপের বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়া আগুনে দেলোয়ার ও তার প্রতিবেশী মোকবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম তুষার, আইয়ুব আলী, আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, ইমরান হোসেন, আবুল হাসেম, মামুনসহ তাদের স্বজনদের মোট ২০টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, দুপুরে রান্নাবান্না শেষে গোসল করে আসার পর হঠাৎ আগুন দেখতে পাই। মুহূর্তেই লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ১১টি পরিবারের সব ঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে।
ইমরান হোসেন জানান, দেলোয়ার হোসেনের ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ঘরের কিছুই অবশিষ্ট নেই। দাবানলে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।
রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, এ অগ্নিকাণ্ডে উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের ২০টি বসতঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে।
ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দলনেতা কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর গুলোর কোন কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও পুড়ে গেছে। আক্রান্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর