শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

ফরিদগঞ্জে সরকারি ঔষধ বিক্রি করলেন হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক!

reporter / ৩০৬ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-পরিদর্শক ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের বিরুদ্ধে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জনসেবা ফার্মেসিতে সরকারি ঔষধ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর ধরে তিনি এ কাজটি করে আসছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ১৩ ডিসেম্বর মো. সাদ্দাম নামের এক যুবক ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের কাছে পেট ব্যাথা, পাতলা পায়খানা ও আমাশয় ভাব সমস্যা নিয়ে গেলে তিনি সরকারি ঔষধ ‘মেট্রোনিডাজল’ দিয়ে ২০ টাকা নেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ।
ডাক্তার বিধান চন্দ্র দেবনাথের ফার্মেসী ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বদপুর গ্রামের মালের ভাংতি এলাকায়। মো. সাদ্দাম, পিতা- সিরাজুল ইসলামও একই এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ডা. বিধান আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, তিনি বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এ কাজটি করে আসছেন। তিনি এলাকায় প্যারাসিটামল, সেফ্রাডিন, সিফ্রোপ্লোক্সাসিন, ওমি প্রাজলসহ আরো অনেক ব্যাথানাশক ঔষধ বিক্রি করে আসছেন।
হাসপাতালের একজন কর্মচারী হয়ে দীর্ঘদিন এই অনৈতিক কাজটি করে আসছেন? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। বাংলাদেশ সরকার গরীব মানুষদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবার এই ঔষধগুলো দিয়ে আসছেন। সরকারের এই উদ্যোগকে অসাধু কিছু মানুষের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এ বিষয়ে মো. সাদ্দাম বলেন ‘আমি পেটের সমস্যা নিয়ে ডাক্তার বিধানের কাছে গেলে তিনি আমাকে এই ঔষধটি দেন এবং বিশ টাকা নেন। ঔষধটি ঠিক আছে কিনা তা দেখানোর জন্য সোহেলের কাছে গেলে জানতে পারি এটা সরকারি ঔষধ।’
অভিযুক্ত ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বার বার প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলতে থাকেন- ‘ওমুকের (একজনের নাম উল্লেখ করে) সাথে একটু কথা বলেন।’
এর প্রায় ২৫ মিনিট পর উনি সাংবাদিককে ফোন করে বলেন, ‘ভাই নিউজটি কইরেন না। আগামীকাল আপনি আমার সাথে দেখা কইরেন।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফ আহমেদ চৌধুরী বলেন,‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। বিষয়টি অনৈতিক এবং বেআইনি। আমি ঢাকায় ট্রেনিংএ আছি, এসে বিষয়টি দেখছি। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


এই বিভাগের আরও খবর