নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্কাউটিং আন্দোলনের প্রবক্তা লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল। তারই হাত ধরে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে স্কাউটিং আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। বাংলাদেশ স্কাউটসও সেই আন্দোলনের পথের এক অংশীদার। ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে বয় স্কাউট সমিতি গঠিত হয়। আজ শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস।
১৯৭২ সনের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশে স্কাউটিংয়ের সূচনা দিবস হিসেবে এ বছর থেকে বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। দেশের শিশু, কিশোর ও যুবদের স্কাউটিং পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল, সৎ, চরিত্রবান, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্কাউটিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে স্কাউটিং আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও আমাদের এই অঞ্চলে (ভারতীয় উপমহাদেশে) স্কাউটিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে। আর ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ইস্ট পাকিস্তান বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭২ সালে তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৭৪ সালে বিশ্ব স্কাউটস সংস্থার ১০৫তম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল ‘বাংলাদেশ স্কাউটস সমিতি’। ১৯৭৮ সালে আবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ স্কাউটস। ১৯৯৪ সাল থেকে মেয়েরা এর সদস্য হওয়ার অধিকার লাভ করে।
বর্তমানে বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্য ২২ লাখ ১০ হাজার। বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম স্কাউট বাংলাদেশ। বর্তমানে এই বিপুল সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ স্কাউটস সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন করছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ হচ্ছে জাতীয় স্কাউট কাউন্সিল। এর প্রধান ও চিফ স্কাউট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রপতি।