শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ কচুয়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার মেঘনায় কার্গোর ধাক্কায় তলা ফেটেছে সুন্দরবন -১৬ লঞ্চের, নারী নিখোঁজ ষোলঘর আদর্শ উবি’র ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ হুমায়ূন কবির সুমন কচুয়ায় নবযোগদানকৃত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে শিক্ষক সমিতি শুভেচ্ছা মতলব উত্তরে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা উপাদী উত্তর ইউনিয়নে দীপু চৌধুরীর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহন মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে এক যুবক ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া দরবার শরীফের পীরের সঙ্গে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়ার সাক্ষাৎ

মরিচ বাছাই করে জীবিকা নির্বাহ করছে পুরানবাজারের অর্ধ শতাধিক নারী

reporter / ১৪৩ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার শুকনো মরিচ বাছাই করে অর্ধ শতাধিক নারীদের জীবিকা অর্জন চলছে। সরজমিন দেখা  যায়, প্রতিবছরের মত এবছর ও পুরান বাজার এর ব্যবসায়ী রশিদ বেপারির আমদানিকৃত হাজার হাজার শুকনো মরিচ প্রাণ কোম্পানিতে রপ্তানি  করে। এতে করে  পুরানবাজারের  অসহায় কর্মহীন নারী পুরুষের কর্মের ঠিকানা হয়। যদিও বছরে দু’এক মাস মরিচ বাছাই কাজ হয় তারপরেও অর্ধ শতাধিক নারীদের কাজের ঠিকানা হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত নারিরা ১নং খেয়া ঘাটের নদীর পারে শুকনো মরিচ ছিটিয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে ১ নাম্বার মরিচ গুলি বাছাই করে দিনমজুর হিসেবে জনপ্রতি ৩শ টাকা  নারীরা মজুরি পান। তবে তারা মাত্র দুই মাসের কর্মের ঠিকানা খুজে পেয়ে কিছুটা লাভবান হন। তারা বলেন, ১২ মাস প্রাণ কোম্পানিতে মালিক রশিদ সাহেব মরিচ রপ্তানি  করলে আমরা সব সময় কাজ করে সন্তান আর মা বাবা কে নিয়ে খেতে পারতাম।
এদিকে নারিদের সাথে আরো ১৫—২০ জন পুরুষ  রয়েছে যারা শুকনো মরিচ গুলি বস্তায় ভরে পাল্লায় উঠিয়ে ওজন করে টেক দেয়, সকাল থেকে বিকাল অবধি তারা ৬—৭ শ টাকা হাজিরা পান, আবার সন্ধার পর থেকে রাত ৯—১০ টা পর্যন্ত  প্রাণ কোম্পানির কারখানায় পাঠাতে ট্রাকে লোড করেও ৫—৬ টাকা মাথা পিছু  আয় করেন, এতে করে শ্রমজীবী  মানুষের  মেহনতি পরিশ্রমে তারা অর্থ উপার্জন করেন। শ্রমিকরা আরো বলেন, প্রতি বছর ফাল্গুন ও চৈত্র  মাসে এই মরিচের কাজ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয়। এরপরে তারা বাজারের বিভিন্ন গদি ঘরে লেবারের কাজ করে টাকা উপার্জন  করে, তারা মনে করেন ১২ মাস এই মরিচের কাজ হলে তারা ভালো ভাবে খেয়ে বাচত। কিন্তু মৌসুমি সবজির মরিচ উৎপাদনের সময় বছরের ফাল্গুন চৈত্র মাস বলে দুই এক মাস কাজ করে জীবিকা নিরবহ করে, তার পরেও নারি ও পুরুষ  শ্রমিকরা ভালো মজুরি পেয়ে খুশি।
এদিকে মালিক আব্দূুর রশিদ বেপারি বলেন, আমি প্রাণ কোম্পানির ডিলার হিসেবে কাজ করি, শুধু মরিচের মৌসুমে মরিচ রপ্তানি করি, তবে, আমি জেলার আশপাশের জেলা থেকে শুকনো মরিচ আমদানি  করে তাহা বাছাই করে শুকিয়ে  প্রাণ কোম্পানিতে পাঠিয়ে থাকি, তার বিনিময়ে, কেজি প্রতি যা পাই তাহা দিয়ে শ্রমিকদের মজুরি আসে। মরিচ রপ্তানি  করে তেমন লাভবান হইনা, তারপরেও ব্যাবসা ধরে রাখতে বিগত কয়েক বছর করে আসছি। আমি মনে করি সততার ব্যবসা করে ডাল ভাত খেয়েও খুশি হওয়া যায়। আমার কারনে কয়েকজন মানুষের কর্ম হয়। এটাই আমার বড় পাওয়া।


এই বিভাগের আরও খবর