শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

হাজীগঞ্জে মায়ের কাছে নিরাপত্তাহীনতায় সন্তান, উদ্ধারের আবেদন

reporter / ২৯৩ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মায়ের কাছে নিরাপত্তাহীনতায় চার বছর বয়সি ছেলে মো. মাহিন (মাহি)। এমন দাবি করে পুত্রবধুর কাছ থেকে নাতিকে তার দাদীর কাছে রাখার আবেদন করেছেন মোসা. ছালেহা বেগম নামের এক দাদী।
বুধবার (১০ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছে তিনি আবেদন করেন। ছালেহা বেগম উপজেলার হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সুবিদপুর গ্রামের মিজি বাড়ির বাসিন্দা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছালেহা বেগমের প্রবাসি ছেলে মো. সুমনের সাথে আনুমানিক ৬ বছর পূর্বে বিয়ে হয় হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন মকিমাবাদ গ্রামের মানছুরা আক্তারের সাথে। বিয়ের পর তাদের কোল জুড়ে আসে মো. মাহিন নামের এক পুত্র সন্তান। মাহিনের বয়স যখন ২ বছর, তখন (২৫ আগস্ট, ২০২০ইং) পারিবারিক কলহের জেরে সুমন ও মানছুরার তালাকের মাধ্যমে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে মাহিন তার মায়ের সাথেই থাকতো।
ওই তালাকের সময় দুই পক্ষের একটি আপোষনামা ও অঙ্গীকারনামা করা হয়। অঙ্গিকারনামার ৩নং শর্ত অনুযায়ী মানুছরা আক্তার অন্য কারো সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে মাহিনকে তার বাবা মো. সুমনের কাছে বুঝিয়ে দিবে। এরপর স্বামী-স্ত্রী তালাকের তিনমাস পর মানছুরা আক্তার হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের ফারুকের সাথে বিবাহ বন্ধন আবদ্ধ হলেও আজ পর্যন্ত মাহিনকে তার বাবার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এর মধ্যে মানছুরা আক্তারের বর্তমান স্বামীর ঘরে তার কোল জুড়ে আসে শাহরিন নামের এক কন্যা সন্তান। এ স্বামী প্রবাসে থাকেন। গত ৬ আগস্ট, শনিবার চার মাস বয়সি শাহরিন রহস্যজনকভাবে মারা যায়। এরপর হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ শাহরিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি জানার পর মানছুরা আক্তারের ছেলে মো. মাহিনের নিরাপত্তাহীনতায় উদ্বিগ্নতার কথা বলেন তার দাদি ছালেহা বেগম।
ছালেহা বেগম তার নাতি মো. মাহিনকে আগের পূত্রবধু মানছুরা আক্তারের কাছ থেকে উদ্ধার করে তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদন তিনি উল্লেখ করেন, মানছুরা আক্তার তার দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে জন্ম নেওয়া শিশু শাহরিনকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠে। তাই মাহিনের নিরাপত্তার স্বার্থে উদ্ধার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে নাতি মাহিনকে ফিরে পেতে ছালেহা বেগম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে উক্ত কর্মকর্তা পুলিশের দারস্থ হতে ছালেহা বেগমকে পরামর্শ প্রদান করেন বলে জানান তিনি।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ সংবাদকর্মীদের জানান, দাদি যদি মনে করেন তার নাতি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে, তাহলে তিনি আদালতে যেতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


এই বিভাগের আরও খবর