শিরোনাম:
মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ চাঁদপুর পৌর এলাকায় স্কাউট সদস্যদের সাথে ইফতার ও রোড ডিউটি পরিদর্শন যানজট নিরসনে মাঠে ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মতলব-ঢাকা রুটের বাসগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

কচুয়ার ইদ্রিস মুন্সি শিশু সদনে ‘সাংবাদিক নিষিদ্ধ’!

reporter / ২৮২ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩

বিশেষ প্রতিবেদক
চাঁদপুরের কচুয়ার নলুয়া গ্রামের ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদনে সাংবাদিক নিষিদ্ধ! তথ্য সংগ্রহ করতেও কোনো সাংবাদিক এই প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন না বলে মুঠোফোনে ক্ষমতা দেখিয়ে হুংকার দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের এক কর্তাব্যক্তি।যিনি নিজেকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি দেন এবং ৯৯৯ এ ফোন করে গণমাধ্যমকর্মীদের পুলিশে দেয়ার ধমক দিয়ে অশোভন আচরণ করেন।
চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে এতিম শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত এতিম শিশুরা পাচ্ছে কিনা এমন তথ্য জানতে কচুয়ার হাজী ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদনে যান দৈনিক শেয়ার বিজ পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক প্রিয় চাঁদপুর পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক  সাংবাদিক  বেলায়েত সুমন ও অপর এক সহকর্মী। প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের পর ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ কাউছারের সাথে কথা হলে কাউছার প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিকে এই প্রতিনিধির সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে বলেন।শেয়ার বিজ পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি এতিম সম্পর্কে জানতে চাইলে অশোভন আচরণ করে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নামধারী কতিপয় ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ বলে সাফসাফ জানিয়ে দেন।কেন এখানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ? এমন এক প্রশ্নের মুঠোফোনে অপর প্রান্ত থেকে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তি বলেন,”চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এখানে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন।আপনি আমার প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে না গেলে আমি ত্রিফল নাইনে কল দিবো। আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন? প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন ক্ষমতার বলয়ে থাকা কথিত ঐ ক্ষমতাধর কর্তাব্যক্তি। পরে মাদ্রাসার এতিম শিশুদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা হাফেজ কাউছার বলেন “যার বাবা বেঁচে নেই কিন্তু মা আছে সে এতিম”। সংবাদ সংগ্রহকালে এমন পাঁচজন এতিমের খোঁজ পাওয়া গেছে এই প্রতিষ্ঠানে যাদের বাবা নেই মা আছে। যাদের নামে সরকারী ক্যাপিটেশন গ্রান্ট উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। এমন তথ্যের সত্যতা জানতেই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন এ  প্রতিনিধি।
সূত্রমতে,২০২২-২০২৩ অর্থবছরে জুলাই ২০২২ হতে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে  কচুয়া উপজেলার নলুয়া গ্রামের হাজী ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদন (চাঁদ-০৭(৩৮)/৮২(৮৬)-১৭/০৪/১৯৮২) এর অনুকূলে ছেলে নিবাসীর সংখ্যা ৫০ জন মেয়ে নিবাসীর সংখ্যা ২৪ জন সর্বমোট ৭৪ জন এতিম থেকে ৩০ জন এতিম শিশুর জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিশুদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখানে মাত্র ২১ জন শিশু রয়েছে।এর মধ্যে হারিচাইলের সুজন এর বাবা নেই মা আছে। হাশিমপুরের আরাফাতের বাবা নেই মা আছে, দৌলতপুরের সোহাগের বাবা নেই মা আছে।কোমরকাশার সাজিদের বাবা নেই মা আছে। মেয়ে নিবাসীর বিস্তারিত কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায়নি “এই প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ বলে ” হুমকি দেয়ার কারণে।


এই বিভাগের আরও খবর