শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগে কচুয়ার পশ্চিম সহদেবপুর ইউপিতে পুন:নির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

reporter / ৪২৮ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২

কচুয়া প্রতিনিধি :
৫  জানুয়ারির ইউপি নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর  ইউনিয়ন পরিষদে পুন:নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুস সামাদ আজাদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনারস প্রতীক নিয়ে পরাজিত প্রার্থী আজাদ এ অভিযোগ করেন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখানো হয়, ওই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ৫ হাজার ৯১৫ ভোট আর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৭১ ভোট। অথচ এক কেন্দ্রের ফলেই রেজাল্ট সীট কেটে ৫০ ভোট কমানো হয়। প্রকৃতপক্ষে আনারস পেয়েছে ৫ হাজার ৯২১ ভোট আর নৌকা প্রতীক পেয়েছিল ৫ হাজার ৮৬৫ ভোট।
লিখিত বক্তব্যে আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, গত ৫ জানুয়ারি ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে আমি আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। অত্র ইউপিতে মোট ১০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়।
যার মধ্যে ৬ টি কেন্দ্রেই ব্যাপক অনিয়ম, জাল ভোট প্রদান, আনারস মার্কার এজেন্টদেরকে মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোট গ্রহণ, রাত ৯ টা পর্যন্ত ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না করে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শীষ কয়েকজন নেতা সংঘবদ্ধভাবে রিটার্নিং অফিসারের চারিদিকে জড়ো হয়ে ও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে রিটার্নিং অফিসার এ এইচ এম শাহরিয়ার রসুলকে দিয়ে রাত ১টায় ফলাফল ঘোষণা করাতে বাধ্য করেন।
খিলমেহের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম পাটোয়ারী ভোট গণনা করে নৌকার প্রতীক ৩৮০, আনারস প্রতীক ৪৮০ ভোট, হাত পাখা প্রতীক ২৫ ভোট, মটরসাইকেল প্রতীক ১১ ভোট, ঘোড়া প্রতীক ৪১ ভোট দেখিয়ে কেন্দ্রের রেজাল্ট শীট তৈরি করেন এবং এজেন্টদের কাছ থেকে অগ্রীম স্বাক্ষর নিয়ে জোরপূর্বক বাহির করে দেন।
বাহির করে দিয়ে পরবর্তীতে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে প্রিসাইডিং অফিসার আনারসের প্রাপ্ত মোট ভোট ৪৮০ এর পরিবর্তে ৪৩০ বসান যাতে ৫০ ভোট কমানো হয়। কিন্তু রেজাল্ট শীট কাটাকাটি করে সংশোধনকৃত জায়গায় প্রিসাইডিং অফিসার স্বাক্ষর করেননি।
এতো গেলো এক কেন্দ্রের ফল । এছাড়াও প্রায় সবগুলো কেন্দ্রেই প্রায়একই রকম জালিয়াতি করা হয়।
বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটোয়ারীকে ফোন দিলে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।


এই বিভাগের আরও খবর