শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

ফরিদগঞ্জের দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মই যেন নিয়ম

reporter / ২৯৬ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি :
 ফরিদগঞ্জের  কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম ই যেন নিয়ম। দীর্ঘদিন করবোনা মহামারীর কারনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ ছিল, ব্যহত ছিল শিক্ষা-কার্যক্রম। সাম্প্রতিক বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, শিক্ষার গুরুত্ব অবধাবন করে শিক্ষা প্রতিষ্টান খুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষের বাহিরে ছিলেন।  যারফলে স্বভাবতই অবিভাবক  শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব বেড়ে যায়।
  এমনই সময় ব্যতিক্রম চিত্র  দেখা যায়  দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম। সরেজমিনে দেখা যায় সকাল ১১.৫৭ মিনিটে শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষের বাহিরে সময় কাটাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নিজ শ্রেণীকক্ষ ঝাড়ু দিচ্ছে।  অন্যান্য শ্রেণীক্ষগুলো ফাঁকা,  বেঞ্চের উপর শিক্ষার্থীদের বই ব্যাগ অলস পড়ে আছে। বিদ্যালয়ে ৬জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও তাদের শ্রণীকক্ষে দেখা যায়নি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক ইসমাইল মিয়া নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করেননা। বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ প্রকল্পের টাকা সভাপতি নাথায়  নামেমাত্র বিদ্যালয়ের ছাঁদে অযথা প্লাস্টার করে দুইলক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে।
  এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক ইসমাইল মিয়া’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন- বিদ্যালয়ের শ্রেণীক্ষ ঝাড়ু দেওয়ার জন্য পিয়ন রয়েছে, শিক্ষার্থীদের দ্বারা ঝাড়ু দেওয়া আমাদের ঠিক হয়নি। বাকি শিক্ষকদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননি।
  বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান- প্রকল্পের একলক্ষ চুয়াত্তর হাজার টাকা আমরা ছাঁদদিয়ে পানি পড়া রোধে জলছাঁদ  ও স্কুলের রংয়ের কাজে ব্যবহার করেছি।
  কোন কাজের জন্য কতটাকা খরচ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাউচারগুলো তার বাসায় রয়েছে স্কুলে নাই।
   বিদ্যালয়ের সহ সভাপতি আবদুল কাদির হেলাল জানান- শিক্ষার্থীদের দ্বারা শ্রেণীক্ষ ঝাড়ু দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক, আমি খোঁজ নিয়ে দেখব। দক্ষিন কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস্টার অফিসার( সহকারী শিক্ষা অফিসার)  বেলায়েত হোসেন জানান, শ্রেণীকক্ষ ঝাড়ু দেওয়ার জন্য পিয়ন রয়েছে,  শিক্ষার্থীরা দিবে কেন।  বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব।


এই বিভাগের আরও খবর