শিরোনাম:
নিখোঁজ সংবাদ মতলবে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা  কচুয়ার সাচার বাজারে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি রোধে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কচুয়ায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করলেন শিক্ষা মন্ত্রী ডক্টর  এহসানুল হক মিলন মতলব দক্ষিণে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মতলব উত্তরে টিম ঐক্য মানবসেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মতলব দক্ষিণে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল হাইমচর প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি : মহসিন ও সম্পাদক : জাহিদ নির্বাচিত মতলব দক্ষিণে ৩৬ মাদ্রাসা-এতিমখানায় সৌদি আরবের খেজুর বিতরণ এনডিএফ চাঁদপুর জেলা শাখার ইফতার মাহফিল ও জুলাই যোদ্ধা পরিবারকে আর্থিক সহযোগীতা প্রদান

মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরা

reporter / ২৩২ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩

২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে উঠে গেছে ইলিশ অভয়াশ্রমের নিষেধাজ্ঞা। মধ্যরাত থেকে নদীতে ইলিশ ধরতে নেমেছে জেলেরা। ইলিশের আড়তদারি ঘুর গুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুত করাসহয়েছে ইলিশ ক্রয়- বিক্রয়ের জন্য।

গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান । ২২ দিনের এ অভিযানে আইন না মেনে বহু জেলে ইলিশ নিধন করেছে। আবার শত শত জেলে পুলিশের হাতে আটক হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। তারা হারিয়েছে জাল ও নৌকা।
গত ৩০ অক্টোবর জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স কর্তৃক পরিচালিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩-এ মোবাইল কোর্ট অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিপিএম,পিপিএম, চাঁদপুর নৌ-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম মোসা, চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: গোলাম মেহেদী হাসান সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

জলের উজ্জ্বল শস্য ইলিশ সংরক্ষণে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সরকার ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রজনন মৌসুমের জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও মা ইলিশ সংরক্ষণে সবার সচেতনতার পাশাপাশি এ সময় ইলিশ আহরণ, বিতরণ, বিপণন, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় কার্যক্রম থেকে সকলে বিরত থাকে।কিন্তু কিছু সংখ্যক অসাধু জেলে সরকারের নিশাত অমান্য করে নদীতে ইলিশ মাছ আহরণ করতে গিয়ে পুলিশের অভিধানে আটক হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান জানান,গত বছরের তুলনায় এবার ইলিশের প্রধান প্রজনন সংরক্ষণ অভিযান ভালো হয়েছে। আমরা বিরাট ভূমিকা নিয়েছি।যাতে মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারে।যার যার যতটুকু ভূমিকা দরকার শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করেছি। গতবারের তুলনায় এবার জেলে আটক হয়েছে অনেক বেশি। কেবল মোবাইলকোটের মাধ্যমে সাড়ে ৩’শ জেলেকে জেল দেওয়া হয়েছে।

নৌ পুলিশের অভিযানে আরো অনেক জেলে জাল নৌকাসহ গ্রেপ্তার হয়। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে। তিনি আশা করেন এবার জাটকার সংখ্যা বেশি হবে। জাটকা বড় হলে ইলিশের উৎপাদনও বাড়বে।
গতকাল ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে জেলেরাম জাল নৌকা নিয়ে নদীতে ইলিশ মাছ আহরণে নেমে পড়ে। যেন জেলেদের মাঝে উৎস উদযাপনা বিরাজ করে। অবতীকে জাদুকর স্টেশন মাছঘাটের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে কিছুটা উৎফুল্ল ফিরে এসেছে।


এই বিভাগের আরও খবর