শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশনের পর প্রশিক্ষনার্থীর ভাতার টাকা ফেরত দিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফারুক 

reporter / ২৭৮ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

মতলব প্রতিনিধিঃ
মতলব দক্ষিণ উপজেলায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি প্রশিক্ষণের আত্মসাৎ এর টাকা প্রশিক্ষণার্থীদের ফেরত দিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.ফারুক  বৃহস্পতিবার ৪০ প্রশিক্ষণার্থীকে তাঁদের প্রশিক্ষণ-ভাতার টাকা ফেরত দেন তিনি। গত ২৯ নভেম্বর ওই প্রশিক্ষণার্থীরা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে।
জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলে ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পৃথক পৃথক তদন্ত চালাচ্ছে এ বিষয়ে।
উপজেলার মাছুয়াখাল এলাকার বাসিন্দা ও ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সামিউল্লাহ সিয়াম বলেন, ইউএনওর কাছে  প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের লিখিত অভিযোগের পর এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানিয় ও জাতীয়  বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হলে একাধিক তদন্ত শুরু হয়। এতে টনক নড়ে ওই যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার। এর প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ৩৩ এবং আজ বৃহস্পতিবার ৭ প্রশিক্ষণার্থীকে তাঁদের প্রশিক্ষণ-ভাতার টাকা ফেরত দেন ওই কর্মকর্তা। ভ্যাটের টাকা কর্তন শেষে প্রত্যেককে দেওয়া হয় ১১ হাজার ১০০ টাকা করে। টাকা পেয়ে তিনিসহ সকল প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে স্বস্তি এসেছে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেনের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর কার্যালয়ের একাধিক কর্মচারী ওই প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও রেনু দাস বলেন, প্রশিক্ষণের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি জেনেছেন। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বিষয়টির তদন্ত করছেন। জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগেও তদন্ত চলছে।
ইউএনওর কার্যালয় ও স্থানীয় যুব উন্নয়ন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ৪ জুলাই থেকে এলাকার মোট ৪০ তরুণ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ইন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ওই প্রশিক্ষণের বিষয়টি তদারক করে। গত ৪ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ৪৪ দিন প্রশিক্ষণটি চলে।


এই বিভাগের আরও খবর