শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশনের পর প্রশিক্ষনার্থীর ভাতার টাকা ফেরত দিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফারুক 

reporter / ৩২২ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

মতলব প্রতিনিধিঃ
মতলব দক্ষিণ উপজেলায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি প্রশিক্ষণের আত্মসাৎ এর টাকা প্রশিক্ষণার্থীদের ফেরত দিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.ফারুক  বৃহস্পতিবার ৪০ প্রশিক্ষণার্থীকে তাঁদের প্রশিক্ষণ-ভাতার টাকা ফেরত দেন তিনি। গত ২৯ নভেম্বর ওই প্রশিক্ষণার্থীরা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে।
জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলে ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পৃথক পৃথক তদন্ত চালাচ্ছে এ বিষয়ে।
উপজেলার মাছুয়াখাল এলাকার বাসিন্দা ও ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সামিউল্লাহ সিয়াম বলেন, ইউএনওর কাছে  প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের লিখিত অভিযোগের পর এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানিয় ও জাতীয়  বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হলে একাধিক তদন্ত শুরু হয়। এতে টনক নড়ে ওই যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার। এর প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ৩৩ এবং আজ বৃহস্পতিবার ৭ প্রশিক্ষণার্থীকে তাঁদের প্রশিক্ষণ-ভাতার টাকা ফেরত দেন ওই কর্মকর্তা। ভ্যাটের টাকা কর্তন শেষে প্রত্যেককে দেওয়া হয় ১১ হাজার ১০০ টাকা করে। টাকা পেয়ে তিনিসহ সকল প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে স্বস্তি এসেছে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেনের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর কার্যালয়ের একাধিক কর্মচারী ওই প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও রেনু দাস বলেন, প্রশিক্ষণের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি জেনেছেন। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বিষয়টির তদন্ত করছেন। জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগেও তদন্ত চলছে।
ইউএনওর কার্যালয় ও স্থানীয় যুব উন্নয়ন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ৪ জুলাই থেকে এলাকার মোট ৪০ তরুণ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ইন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ওই প্রশিক্ষণের বিষয়টি তদারক করে। গত ৪ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ৪৪ দিন প্রশিক্ষণটি চলে।


এই বিভাগের আরও খবর