শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

ফরিদগঞ্জে শীতের আগমনে ব্যস্ত সময় পার করছে লেপ-তোশকের কারিগররা

reporter / ৫২৭ ভিউ
আপডেট : শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২

মোঃ জাহিদুল ইসলাম ফাহিমঃ
ফরিদগঞ্জে সন্ধা থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তীব্র শীত আসার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ-তোশক কিনতে দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। কেউ কেউ পুরাতন লেপ-তোশকগুলো সংস্কার করে নিচ্ছেন। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোশক তৈরির কারিগররা। কাজ করে যাচ্ছেন দিনরাত।

ফরিদগঞ্জ বাজারে  জসিম বেডিং  লেপ নিতে আসা ক্রেতা শামিম শেখ  বলেন, এবার শীতের শুরুতেই রাতে ঠাণ্ডার দাপট দেখা দিয়েছে। তীব্র শীত শুরু হলে দোকানগুলোতে বেশি চাপ থাকে, তাই আগেভাগেই একটি পুরাতন লেপের তুলা বদলিয়ে নতুন কাপড় দিয়ে সেলাই করে নিচ্ছি। সাথে একটি নতুন লেপ কিনছি। তবে গতবারের চেয়ে তুলা ও কাপড়ের দাম অনেকটা বেশি হওয়ার লেপের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

জসিম বেডিং  মালিক হাবিব ঢালি  বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় লেপ-তোশক তৈরির খরচ বেড়েছে। তারপরও ক্রেতার কমতি নেই। শীতের শুরু থেকেই কাজের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, গড়ে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি লেপ-তোশক তৈরি করছেন তিনি। প্রকারভেদে লেপ ১৩০০ থেকে ১৮০০ টাকা, তোশক ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং জাজিম ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তার দোকানে ২ জন কারিগর কাজ করছেন। কয়েক দিনের মধ্যে আরও ২ জন কাজে যোগ দেবেন।

লেপ-তোশকের দোকান মালিকেরা জানান, বছরের প্রায় আট মাস তেমন বেশি কাজ হয় না। শীতের ৪ মাসের আয়-রোজগার দিয়ে বাকি আট মাস চলতে হয়। তাই দিন রাতে কাজ করতে হয় শীতের মৌসুমে।


এই বিভাগের আরও খবর