শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

মতলবে ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক জেলহাজতে

reporter / ২৭০ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নাউজান গ্রামে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামীকে ২৯ মার্চ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। উচ্চ আদালত থেকে দুই সপ্তাহের  আগাম জামিন নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) মোঃ হারু পাটোয়ারী  চাঁদপুর নিন্ম আদালতে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গঃ চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নাউজান গ্রামে হারুন পাটোয়ারী (৬৫) নামক এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি  চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী (১০) ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন তার মা জাকিয়া আক্তার।  মামলা সাত্রে জানা যায়, ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নাউজান গ্রামের প্রবাসীর চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা অন্যান্য দিনের ন্যায় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর এক শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়ে৷ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে হারুন পাটোয়ারী (প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক) ছাত্রীকে একা পেয়ে প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষকের বাড়ির বাথরুমের নিকট নিয়ে ধর্ষণ করে।
ছাত্রীর মা বলেন, ঘটনাটি তার মেয়ে জানালে তিনি বিষয়টি ওই শিক্ষককে জিজ্ঞেস করতে গেলে তাকে উল্টো হুমকি ধমকি দিয়ে বলে বিষয়টি যেন কাউকে জানানো না হয় এবং নানা ধরনের হুমকি দেয়। কয়েকদিন মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদেরকে জানানো হলে কেউ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথা বলতে নারাজ। এলাকায় বিচার না পেয়ে থানা মামলা করেন মেয়ের মা।
ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মোল্লা বলেন, বিষয়টি গত কয়েকদিন আগে মেয়ের মা আমাকে ধর্ষণের বিষয়ে জানাতে আসলে আমি সাফ জানিয়ে দেই, ধর্ষণ সংক্রান্ত বিচার গ্রাম্য আদালতে হয়না এবং আমি করিনা। সাক্ষী প্রমাণ থাকলে আইনের মাধ্যমে যেতে পারেন।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, এ বিষয়ে থানায় নারীও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


এই বিভাগের আরও খবর