মাহবুব আলম প্রিয়ঃ বিএনপির পুর্বঘোষিত কর্মসুচীকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্থানীয় আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও মহিলালীগের নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের অফিস ও বাড়িঘর ভাংচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। গতকাল সোমবার সকালে কাঞ্চন পৌর বাজার এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
কাঞ্চন পৌর বিএনপির আহবায়ক ও কাঞ্চন পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভুইয়া অভিযোগ করে জানান, কেন্দ্রের পুর্বঘোষিত কর্মসুচী হিসেবে সোমবার সকালে জ্বালানীমুল্য বৃদ্ধিসহ দ্রব্যেমুল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কাঞ্চন বাজার এলাকায় বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করার কথা ছিলো। কর্মসুচীতে বিএনপি নেতাকর্মীরা জরো হওয়ার আগেই স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলালীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে কাঞ্চন বাজার এলাকায় মহড়া দিতে থাকে। এক পর্যায়ে কাঞ্চন পৌর যুবদলের আহবায়ক মফিকুল খানের অফিস কক্ষে ঢুকে হামলা চালিয়ে চেয়ারটেবিল ও মটরসাইকেল ভাংচুর করে। পরে মফিকুল খানের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এরপর সদস্য সচিব কহিনুর মিয়ার মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা মেরে দেয়। ছাত্রদল নেতা সোহেল মিয়ার মালিকানাধীন কসমেটিকস এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও তালা মারেন। প্রতিবাদ করায় সোহেল মিয়াকে বেধরক মারপিট করেন। যুবদল কর্মী মোমেন মিয়ার মালিকানাধীন জুতার দোকানটিও বন্ধ করে দেয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাহাফুজুর রহমান হুমায়ুন বলেন, আমাদের শান্তিপুর্ণ কর্মসুচী বানচাল করার জন্য তারা এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে কাঞ্চন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল কলি বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীন কোন্দলকে কেন্দ্র করে তাদের নিজেদের মধ্যে ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা এসব ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানিনা।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, এ ধরনের ঘটনার ব্যপারে কেউ লিখিত ভাবে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ দিলে তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।