শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

হাইমচরে বিদ্যালয়ের ল্যাব রুমে প্রবেশ করায় ছাত্রকে বেদম মারধর করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক

reporter / ৩৬২ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
হাইমচর উপজেলার স্বনামধন্য  নীলকমল ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম,দশম শ্রেনীর ছাত্র মিরাজ হোসেন ল্যাব রুমে জুতা নিয়ে প্রবেশ করায় বেদম মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৯’শে জানুয়ারী সকালে বিদ্যালয়ে আসে ছাত্র মিরাজ হোসেন।
সে এসএসসি পরিক্ষার্থী। ল্যাব রুমে জুতা নিয়ে প্রবেশ করলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম মিরাজকে বেদম মারধর করে।
বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র শিক্ষকরা বিষয়টি দেখেন,দশম শ্রেণীর মিরাজ বলেন,আমি ভূল বসৎ জুতা নিয়ে ল্যাব রুমে প্রবেশ করলে আমাদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম স্যার কোন কথা না শুনে আমাকে এলোপাতাড়ি লাথি ঘুষি মারতে থাকে।এসময় প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম স্যার আমার কোন কথা না শুনেই আমাকে মারধর করতে থাকে,আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফেটে যায় এবং অসংখ্য রক্তক্ষরণ হয়।
এসময় সিনিয়ার শিক্ষক আলী আকব বলেন,প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসে সকলের সাথে মাতালের মতন ব্যবহার করেন।ওনার ব্যবহারে ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক সকলেই ক্ষিপ্ত।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রছাত্রীরা বলেন ফারুকুল ইসলাম স্যার বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে ছাত্র কার ও সাথে ভালো আচরণ করেন না।আমরা ছাত্রছাত্রী আমাদের ভুল হতেই পারে।
২০২৩ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থী মোঃ কাউসার হোসেন,হাবীব হোসেন,মারুফ হোসেন,রিফাত হোসেন,আরাফাত হোসেন বলেন,,স্যার আমাদের সাথে কখনোই ভালো ব্যবহার করে না,নীলকমল ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয় এখন ফারুক স্যারের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।টেষ্ট পরিক্ষায় ইচ্ছে করে ছাত্রদের ফেল করিয়ে প্রতি বিষয়ে তিন থেকে চারশত টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে।কোন ছাত্ররা প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রদের উপর শারীরিক প্রহার করেন এবং পরিক্ষায় ফেল করিয়ে জিম্মি করে রাখেন।মিরাজ একজন প্রতিবাদী ছাত্র,তাই জুতার অজুহাতে মিরাজের উপর বর্বরোচিত হামলা করেন নীলকমল ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম।
এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আত্নীয় হওয়ায় তিনি নিজের মত করে বিদ্যালয়টিকে ব্যবহার করছে বল জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও একাধিক শিক্ষক এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা এবিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন,তারা বলেন হাইমচরে সেই স্বনামধন্য নীলকমল ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয় এখন আর নেই,প্রধান শিক্ষকের প্রভাবে মনে হয় বিদ্যালয়টি তাহার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান।নীলকমল ওসমানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম কে বিদ্যালয় থেকে বিতারিত না করলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে চলে যাবে।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আমাদের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে গেলে প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম কে খুঁজে পাওয়া যায়নি,এসময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর ব্যবহারিত মোবাইল ফোন কল করলে তাহার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।


এই বিভাগের আরও খবর