স্টাফ রিপোর্টার :
চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নানান সমস্যা সামনে এসে হাজির হচ্ছে। ইতিমধ্য সাবেক ছাত্রদের মাঝে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে।
চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯২১ সালে স্থাপিত হয়েছে। ২০২০ সালে শতবর্ষে পদার্পন করে বিদ্যালয়টি। ২০২০সালে শতবর্ষ উদযাপন করার জন্য চেষ্টা করেও শতবাঁধার কারণে সম্ভব হয়ে উঠেনি। তখনও নানান দাবী উত্থাপিত করে সাবেক ছাত্ররা। দাবীর মুখে মুখ থুবরে পরে আয়োজক কমিটির।
অভিভাবকরা জানান, সাবেক ছাত্রদের দাবীগুলো ছিল দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। কিন্তু ওই এলাকার প্রতাপশালী একটি পরিবারের একঘোঁয়ামীর কারণে শতবর্ষী বিদ্যালয়টি তার প্রাণ হারাচ্ছে। সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ অবদি অন্যত্র গিয়ে ছাত্র/ছাত্রীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের দেয়াল প্রাচীর কিংবা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার নাম জনসম্মুখ বলা, বিদ্যালয়ের নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ইত্যাদি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যালয়টি তার হারানো জৌলস ফিরে পাবে। বিদ্যালয়টি একটি পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পেশিশক্তি ব্যবহার করে সিনিয়র শিক্ষকদের পাশ কাটিয়ে জুনিয়র শিক্ষককে পদায়ন করে সহকারী প্রধান প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দান করা হয়েছে।
জানাযায়, বিদ্যালয়ের অনেক সম্পত্তি ভোগদখল করছে একটি পরিবার। তাদের চলার পথ মসৃন করতে বিদ্যালয়ের দেয়াল নির্মাণে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। বিদ্যালয়টি ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের বড়চরকালিয়া মৌজায় অবস্থিত। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি গ্রাস করতে পরিবারটি বিভিন্ন নীলনকশা করে যাচ্ছে।
অভিভাবকবৃন্দ বলেন, বিদ্যালয়টি ব্যস্ততম সড়কের সাথে রয়েছে। প্রাচীর না থাকায় স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীরা দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়ে। ফলে ঘটে যেতে পারে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তাছাড়াও সীমানা প্রাচীর না থাকায় স্কুল ছুটির পর মাঠে চলে বখাটেদের আড্ডা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দলিল উদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়ানোর স্বার্থে বিদ্যালয়টিতে সীমানা প্রাচীর নির্মান করা জরুরী।
উপরোক্ত বিষয় গুলো স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে মতলব উত্তরের কৃতিসন্তান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম, সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুলসহ বর্তমান ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সুদৃষ্টি কামনা করছেন বিদ্যালয় পড়ুয়া সাবেক ছাত্র-ছাত্রীরা।