নিজস্ব প্রতিবেদক :
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন
বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক
ক্লাবের শুভেচ্ছা বিনিময় ও ক্যালেন্ডার বিতরান করা
হয়েছে। ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ
কার্যক্রম করা হয়।
চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি আবদুর
রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন এর
নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, জেলা পরিষদ
চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ওচমান গণি পাটওয়ারী, জেলা
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম.এ. ওয়াদুদ, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডাঃ
এ.কে.এম. মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমতিয়াজ আহমেদ, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসাম্মৎ রাশেদা আক্তার,
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বসির
আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ.এস.এম. মোসা,
এনডিসি কাজী মোঃ মেশকাতুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা
গবেষক ও সাংবাদিক বাশার খান, সদর হাসপাতালের
আর.এম.ও ডাঃ হাছিবুল হাছিব, উপ-পরিচালক ডাঃ
সাজেদা বেগম পলিন, জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল
হোসেন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে
শুভেচ্ছা বিনিময় ও ক্যালেন্ডার বিতরণ করা হয়।
শুভেচ্ছা বিনিময় ও ক্যালেন্ডার বিতরণে অংশগ্রহণ করেন
চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাবের কার্যনির্বাহী
সদস্য ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সিনিয়র সহ-সভাপতি
শাহাদাত হোসেন শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম.
মাসুদ, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রাজু,
কার্যনির্বাহী সদস্য শাহ আলম খানসহ অন্যান্য
নেতৃবৃন্দ।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক বলেন, পদ্মা সেতু,
মেট্রোরেল, পায়রা সেতু, কর্ণফুলী ট্রানেল, এগুলো
বর্তমান সরকারের একটি মেঘা প্রকল্প। এ ছবিগুলো দিয়ে
আপনাদের ক্যালেন্ডার করায় ক্যালেন্ডারটি অত্যান্ত চমৎকার ও
সুন্দর হয়েছে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, এ
ক্লাবটি দেশ ও জাতির কল্যানের কাজ করবে এবং এ জেলায়
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে
ধরবেন বলে প্রত্যাশা করি। ক্যালেন্ডারে সরকারের
উন্নয়নমূলক এ মেঘা প্রকল্পের ছবিগুলো তুলে ধরায়
তিনি ধন্যবাদ জানান। চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাব
এ জেলার বিভিন্ন বিষয়ে বিবেকিয় ভূমীকা পালন করবে
বলে আশা করি।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বলেন,
‘মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় মুক্ত সাংবাদিকতায় আমরা’ এ
শ্লোগনটি দেখে আমি অত্যান্ত খুশি হয়েছি। আমার
বিশ^াস মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় এ সংগঠনটি আরো
গতিশীল হয়ে উঠবে। আপনাদের এ সংগঠনটিতে আমার
সহযোগীতা থাকবে।