শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন ভবন নির্মানের অগ্রগতি নেই

reporter / ২৭৭ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার ৯বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও নতুন ভবন নির্মানের কোন অগ্রগতি নেই। ঐতিয্যবাহী এই বিদ্যাঙ্গনটি উপজেলায় মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অতিতের সকল পরিক্ষার ভালো রেজাল্ট ও ইতিহাস ঐতিহ্য বহন করে নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়টি। যেকারণে সেখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে, ফলে                                                                                                   আসন সংকটে পরে।
অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো গত ২৩এপ্রিল ২০১৪ ইং তারিখে শিক্ষা প্রকৌশলী বিভাগ চাঁদপুর, স্কুলটির মূল ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম ভবনের দ্বিতল বিশিষ্ট ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। অতি জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও শতভাগ ঝুঁকিতে থাকা এই ভবনটি ভাঙ্গা হচ্ছে না, এবং নতুন কোনো ভবন তৈরিও হচ্ছেনা। ফলে শ্রেণী কক্ষের অপ্রতুলতার কারনে যেমন শ্রেণীকক্ষে পাঠদান বিগ্ন হচ্ছে  তেমনই উদ্বিগ্ন উৎকণ্ঠের মধ্যে রয়েছে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। অতি মাত্রার ঝড়-বৃষ্টি বা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্পে এই ভবনটি যে কোন সময়  ধ্বসে পরার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ভবনটির উপর দিয়ে হেঁটে প্রতিদিন অন্য ভবনে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করতে হয় এবং নিচতলার বারান্দায় অনেক ছাত্র বাইসাইকেল রাখে, ফলে শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জসিম উদদীন বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি পেরিয়ে পাশের ভবনে গিয়ে ক্লাস করতে হয়। যা ছাত্র-ছাত্রীসহ শিক্ষকরাও সবময় ঝুঁকির মধ্যে থাকি, অনতিবিলম্বে এই ভবন ভেঙ্গে নতুন ভবন তৈরি করে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের ঝুঁকি থেকে মুক্ত করতে হবে।
এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য কাজী সাঈদ বলেন, আমাদের সন্তানদের আমরা এইভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে রাখতে পারিনা। ভবনটি এতোটাই ক্ষতিগ্রস্থ যে সিলিং,ভিম,কলাম সব কিছুই শতভাগ ড্যামেজ তাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবক সকলেই আশঙ্কা করছে আকস্মিক ভাবে যেকোনো সময় ধ্বসে  পরতে পারে পরিত্যাক্ত ভবনটি তখন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরাও হতাহত হতে পারে। তাই আশা করি কতৃপক্ষ দ্রুতই এর ব্যবস্থা নিবেন।
গত ৭ মে অত্রবিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে অসেন পরিকল্পনা প্রতি মন্ত্রী ড. শামসুল আলম, এই পরিত্যক্ত ভবনটি ঘুরে দেখেন এবং ওনি দেখে বিস্মিত ও আতঙ্কিত  বোধ করেন। বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘেষণার দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলো অতচ এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেনো জানতে চান। পরে তিনি শিক্ষার্থী-শিক্ষিক ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের কথা শুনেন এবং ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার নথি/ফরোয়াডিং ফাইল দেখে অত্র বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে বিদ্যালয় কতৃপক্ষকে আশ্বস্থ করেন।


এই বিভাগের আরও খবর