মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা ঐতিহ্যবাহী নারায়নপুর ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক মহল ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বইছে প্রতিবাদের ঝড়।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, বিধিমোতাবেক নারায়নপুর ডিগ্রী কলেজ ২০২২-২৪ সালের মেয়াদে নতুন গভনিং বডি গঠন লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্ধারিত ফরমে অধ্যক্ষের স্বাক্ষর পূর্বক কলেজের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম এর নিকট প্রেরণ করেন। সভাপতি মহোদয় উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় কমিটি সম্পন্ন করেন। অধ্যক্ষ অসুস্থ জনিত কারণে সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন।
বিবৃতিতে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, হিতৈষী নামে জনৈক ব্যক্তি গত ২০২০-২২ সালের মেয়াদে দুই বছরের মাঝে প্রথম বছরের চাঁদা প্রদান করেন, বাকি এক বছরের চাঁদা পরিশোধ করেন নাই। আগামী কমিটিতে তিনি থাকতে পারবেন না মনে করে চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে অধ্যক্ষকে অশ্লীল ভাষায় মোবাইল ফোনে গাল-মন্দ করেন এবং জীবন নাশের হুমকি দেন। বিষয়টি নারায়ণপুর কলেজের পার্শ্বস্ত অনেক সুধীজনকে জানানো হয়েছে। সম্ভবত এতদ্ কারনে ঢাকাস্থ সুধী মহল কমিটি গঠনকালে হিতৈষী পদে অভিযোগকারীর নাম বাদ দেন বলে জানান অধ্যক্ষ। ২০২২-২৪ সালের মেয়াদে কমিটিতে অনেকে না আসতে পেরে অধ্যক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করেছেন।
একাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা বলেন, নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ একজন সৎ কর্মানোগ বিনয়ী ব্যক্তি। সুদীর্ঘ ২৯ বছর যাবৎ সুনামের সাথে এই কলেজে অধ্যাপনা করে আসছে। আজ ১৪ বছর যাবৎ সততার সাথে অধ্যক্ষ পদে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন কমিটিতে না আসতে পেরে অধ্যক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা।
পৃথক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ বলেন, শ্রদ্ধেয় স্যার একজন স্ট্রোকের রোগী। আমরা স্যারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।