নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে চাহিদা মোতাবেক অর্থ না দেওয়ায় প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের পক্ষে রিপোর্ট তৈরি করেন সার্ভেয়ার। পরে ওই রিপোর্টটিকে সত্য বলে অভিহিত করে আদালতের কাছে পাঠান উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা।ফরিদগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি কর্মকর্তা তাসলিমুন নেছা, সার্ভেয়ার মো. আবুবকর সিদ্দিক ও সহকারী জয়নালের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক ও বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের রুস্তুমপুর গ্রামের একটি অসহায় পরিবার।সোমবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মো. ফয়েজ আহমেদ মৃধা।লিখিত বক্তব্যে ফয়েজ বলেন, বিজ্ঞ আদালত সম্পত্তিগত বিরোধের মামলা তদন্তের জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে সরেজমিন তদন্ত করে নালিশি সম্পত্তি প্রকৃত দখল ও প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষ ফরিদগঞ্জের বাসিন্দা, ঢাকা মুগদা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাহার ও মোজাম্মেল হোসেন বাবুল গংরা প্রভাবশালী হওয়ায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তথা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্বপালন করা তাসলিমুন নেছা, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আবুবকর সিদ্দিক ও সহকারী জয়নাল মিলে আমাদের জমি প্রতিপক্ষগণের দখলে রয়েছে বলে একটি মনগড়া প্রতিবেদন তৈরি করে গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে পাঠান তারা; যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে নালিশী ওই সম্পত্তি কোনোদিন আমাদের প্রতিপক্ষের দখলে ছিল না বর্তমানেও নেই।বেশ কয়েকবার ফরিদগঞ্জ উপজেলা ভূমি কর্মকর্তারা আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছে, যা আমরা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছি। তাদের চাহিদামতো টাকা না দেওয়ায় তারা আমাদের নালিশি ভূমির বিষয়ে কথা বলতে দেয়নি।আমরা ফরিদগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের এই খামখেয়ালিপনার বিচার প্রার্থনা করে প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক ও বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি এম কে মানিক পাঠানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুস ছোবহান লিটনের পরিচালনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সময় বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।