নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার পূর্ব ধলাই তলী আঃ জলিল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার
নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরজমিনে জানা যায়, ২০২২ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপার, সহ-সুপার, আয়া, নৈশ প্রহরী, পরিচ্ছন্ন কর্মী এই পদের বিপরীতে ৩৪ জন প্রার্থীর আবেদন প্রাথমিক ভাবে যাচাই-বাছয়ের জন্য চুড়ান্ত করে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ।
অনুসন্ধানের জানা যায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠালগ্নে
জয়নুল আবেদীন সহ-মৌলভী পদে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে তিনি সিনিয়র শিক্ষকদের ডিঙ্গিয়ে ভারপ্রাপ্ত সুপারেন্টেন্ড এর পদ ভাগিয়ে নেন। এবং এই পদে কাউকে নিয়োগ নাদিয়ে এখনো বহাল তবিয়তেই আছে।
উল্লেখ যে তিনি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সুপার পদে এাকদিক প্রার্থী ছিল বলে জানা গেছে কিন্তু তিনি সুপারেন্টেন্ড থাকার জন্য প্রার্থীর আবেদন সুকৌশলে বাতিল করেন।
সহ সুপার পদে ৯জন, আয়া পদে ৭জন, নিরাপত্তা কর্মী পদে ৬জন, পরিচ্ছন্ন কর্মী ৬জন
নৈশ প্রহরী পদে ৬জন এই পাঁচটি পদে ৩৪জন প্রর্থীর আবেদন চুড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে আয়া ও নৈশ পহরি পদে তাঁর (মৌলভী জয়নুল আবেদীনের) ছেলে নৈশ পহরি পদে মশিউর রহমান ও মেয়ে সুরাইয়া আক্তার, আয়া পদে আবেদন করেছেন।
এছাড়াও মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের আত্বীয়-স্বজন রয়েছে বলে জানা যায়।
এছাড়াও ভারপ্রাপ্ত সুপার সহকারী মৌলবি মোঃ জয়নুল আবেদিন তার সকল দাপ্তরিক কাজে সরাসরি সুপারেন্টেন্ড এর সীল ও সাক্ষর ব্যবহার করে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে স্থানীয় মাওঃ মোঃ মিজানুর রহমান (পিতা মৃত ইব্রাহিম মিজি) বলেন, ২০১২ সালে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে মাদ্রাসায় লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ দেন মাসিক সম্মানি হিসাবে ২০০০ (দুই হাজার) টাকা দেওয়ার কথা, ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল দুই বছর ডিউটি করেছি আমাকে কোনো সম্মানি বা বেতন দেওয়া হয় নাই। বরং একটি ভুয়া রেজুলেশনে করে আমার নিয়োগ বাতিল কেরেন, এবং আমাকে চাকরিচ্যুত করেন এই
জয়নুল আবেদীন।
পরে স্থানীয়দের নিয়ে বহু দেন দরবার করে ১লক্ষ টাকা ফেরত পাইছি, কিন্তু বাকি ৫০ হাজার এবং ২৪ মাসের সম্মানি বেতন ৪৮ হাজার টাকা, সর্বোমোট ৯৮ হাজার টাকা আমি এখনো পাই টাকা চাইলে ওনি বলেন, দেই- দিচ্ছে বলতে বলতে ৭/৮ বছর চলছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানায়,
এবং বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটি করতে গিয়ে বহু দূর্নীতি করেছে।এছাড়া তিনি ভারপ্রাপ্ত সুপার হয়ে প্রতিষ্ঠানে ৬ শতাংশ জমি বিক্রয় করে কোন ক্ষমতা বলে বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সেচ্ছাচারিতা করে তার এক মেয়ে ও দুই ছেলেকে দিয়ে আবেদন করিয়ে তিনি নিজেও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হন কোন ক্ষমতায়?
মৌলভী মাওঃ মোঃ জয়নুল আবেদীন দির্ঘ-১৮/১৫ বছর ভারপ্রাপ্ত সুপারের দয়িত্ব বার বহন করে আসছে, এবং তাহার শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই বাচাই করা প্রয়োজন, এবং তাহার নিয়োগ পক্রিয়া যাচাই বাচাই প্রয়োজন বিগত সময়ে তিনি মাদ্রাসার ভবন ও শিক্ষক এর বেতন থেকে টাকা কর্তন করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।