শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

মানুরী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ

reporter / ২৮৬ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একাধিক নিয়োগপ্রার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে এক নিয়োগপ্রার্থীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখের দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুর পত্রিকার বিজ্ঞাপনের আলোকে একাধিক প্রার্থী আবেদন করেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ একটি চক্র কয়েক লক্ষ টাকা নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু একাধিক প্রার্থী থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে পড়ে এবং এ বিষয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে টাকা লেনদেনকারী একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করেন।

অবশেষে এই চক্রটি এক নারী প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করেছেন বলে স্থানীয় লোকজন ও একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করেন। তারা আরও জানান, অধ্যক্ষ তার পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগের উদ্দেশ্যে মেধাবী প্রার্থীগণকে বাছাইয়ের নামে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে সরিয়ে দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক-কর্মচারীও বিষয়টি স্বীকার করেন এবং অতীতেও এ ধরণের অপকর্মে তিনি জড়িত ছিলেন বলে জানান।

চাকরিপ্রার্থী শরীফ উল্লাহ জেলা প্রশাসক ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আগামী ১০ জুন শনিবার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে অধ্যক্ষের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করি। প্রতিবারই তিনি বলেন, পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। এভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। অবশেষে ৮ জুন তিনি স্বীকার করেন, প্রবেশপত্র পাঠাননি। তাই বাধ্য হয়ে আমি অভিযোগ করেছি। তিনি জেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট আবেদনকৃত যোগ্য সকল প্রার্থীকে উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাছাইয়ে চারজন প্রার্থীর আবেদন বাতিলের কথা স্বীকার করেন। তবে নিয়োগ বানিজ্যের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।


এই বিভাগের আরও খবর