জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান আরও বলেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ নৌ বাহিনীসহ সকল দপ্তরের বাঙ্গালী অফিসার থেকে পাকিস্তানী অফিসার অধিক ছিল। বিশাল এক ব্যাবধান ছিল পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্থারনর মধ্যে। পূর্ব পাকিস্থানের সম্পদ সেসময় পশ্চিম;পাকিস্থানে চলে যেত। জাতির পিতা তিনি ১৮ মিনিটের অধিক যে ভাষণ দিয়ে ছিলেন তা ছিল অলিখিত। তিনি তার সকল কর্মকান্ড ও স্বাধীনতার বিষয়ে সকল কিছু অর্নগল বলেছিলেন ভাষণে। জাতির জনকের ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্কীকৃতি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভাষন বাস্তবায়ন করতে পারলে আমাদের জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
আজকে দিবসটি পালন করাই নয়, আমাদের প্রজম্মকে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান কে জানানো। ৭৫ এর পর যাদের জম্ম হয়েছে তারা সঠিক ইতিহাস জানেনা। তাদের কে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানাতে হবে।রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বাংলাদেশ কে সোনার সাথে তুলনা করেছেন। তাই তিনি বাংলায় বসেই আমার সোনার বাংলা লিখে ছিলেন। জাতিকে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে।জাতির পিতা যে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি লিখে কোনো বক্তব্য দেন নি। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সেদিন তিনি লাখো জনতার উপস্হিতিতে ভাষণ দিয়েছেন। জাতির পিতার স্বপ্নের অসমাপ্ত কাজ গুলো করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারই কণ্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ বিপিএম বার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, চাঁদপুর পৌর মেয়র অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সাহাদাত হোসেন, পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার প্রমূখ।