গত ১৭ অক্টোবর সোমবার অনুষ্ঠিত চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচনে আনারস প্রতীকের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন প্রধানীয়া সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। নির্বাচনের একদিন পর চাঁদপুর জেলা পরিষদের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর রাতে হাজীগঞ্জ নার্গিস হোটেলে ফুড প্যাভিলিয়নে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
এসময় জেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জাকির হোসেন প্রধানীয়া বলেন, আমি প্রথমে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ভোটার যারা নানা বাধা উপেক্ষা করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। কিন্তু এক যোগে সকল উপজেলা ফলাফল প্রকাশ করা হলেও কেন হাইমচর ও চাঁদপুর সদর উপজেলার ফলাফল দেরি করে ঘোষণা করা হয়েছে তা জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । এ জন্য আমি নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করে এ দুই উপজেলার সিসি ক্যামরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করার জন্য।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শ্রদ্ধেয় আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটোয়ারি আমাকে বলেন আমি আওয়ামী লীগের কে! আমি প্রশ্ন চুড়ে বলতে চাই তিনি একজন বিদ্রোহী প্রার্থী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হলফনামা জমা দিয়েছেন। এখানে মূলত দল থেকে যাকে মনোনীত করেছে তার প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। আমি সাবেক ছাত্রলীগের কর্মী ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। তাছাড়া অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছি। বিভিন্ন সময় নানা দুর্যোগে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণকার্য্যে আমি সহযোগিতা করেছি।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন প্রধানীয়া আরো বলেন, আমি মূলত চেয়েছি জনগনের সেবক হতে কিন্তু এখন যেহেতুক হতে গেলে দলের দায়িত্বশীল পদে থাকতে হবে তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এলাকায় থেকে রাজনীতি করবো। সর্বশেষ আবারো সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলোচনা শেষ করছি জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জাকির হোসেন প্রধানীয়ার বড় ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন, হাজীগঞ্জ কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া, হাজীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।