আ.লীগ সরকার শিক্ষাবান্ধব বলেই শিক্ষা ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে
——সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু
মতলব উত্তর প্রতিনিধি :
দেশব্যাপী বছরের শুরুতে একযুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে উৎসবমুখর বই বিতরণের অংশ হিসেবে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা শুরু হয়েছে। রোববার (১ জানুয়ারী) সকালে উপজেলার নাছিরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে বই, শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী ও বিদ্যালয়ের লোগো সম্বেলিত সুয়েটার বিতরণ করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যকারী কমিটির সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু। বই, শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণের পূর্বে উপস্থিত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে কেক খাওয়ানো হয়। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাজেদুল হক চৌধুরী শুভ’র অর্থায়নে বিদ্যালয়ের লোগো সম্বোলিত শীতের সুয়েটার ও শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বই বিতরণকালে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু বলেন, এ উৎসব জাতি গঠনের উৎসব। আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত বছরের প্রথম দিন প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার ঘোষণার বাস্তবায়ন এই বই উৎসব। বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। আগামী দিনের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সময়োপযোগী আধুনিক ও উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করাই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরো বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই কোমলমতি শিশুরা নতুন বই পাচ্ছেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি মনযোগ বৃদ্ধি পাবে। আওয়ামী লীগ সরকার বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্য বই বিতরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস বন্ধ করে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষাকে যুগ উপযোগী করে আধুনিক পাঠ্যক্রম চালু করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাবান্ধব বলেই শিক্ষা ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে।
এসএমসি’র সভাপতি মাজেদুল হক চৌধুরী শুভের সভাপতিত্বে ও শিক্ষানুরাগী নুরুজ্জামানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. হানিফ মিয়া, মো. অলিউল্ল্যাহ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালমা পারভীন, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম, অভিভাবক মিজানুর রহমান, রাবেয়া আক্তার। এ সময় শিক্ষানুরাগী জুয়েল চৌধুরী, ফারুক আহমেদ চৌধুরী, কাউছার আহমেদ, বিদোৎসাহী সদস্য খোরশেদ আলম চৌধুরী’সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে আনন্দ বয়ে যায়। বছরের প্রথম দিনেই ছাত্রছাত্রীরা বই পেয়ে উল্লাস করতে থাকে। জানাযায়, ১৯৩৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর থেকে অদ্যবধি সুনাম ও ভালো ফলাফল করার কারণে আশপাশের এলাকা থেকেও ছাত্র-ছাত্রীরা আসতে থাকে। বরাবরের মতো এবারও বিদ্যালয়টি শতভাগ পাসের রেকর্ড অর্জন করতে সক্ষম হয়।