শিরোনাম:
বিল থেকে ধরে বাড়িতে পুষছিলেন গোখরা, কামড় খেয়ে হাসপাতালে কাঠমিস্ত্রি চাঁদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার মতলবে অবৈধ বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু খুনিদের ফাঁসি হোক, নিরীহ আওয়ামী লীগের ক্ষতি যেন না হয় : এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী মতলব উত্তরে ডাকাতি মামলার আসামি’সহ গ্রেপ্তার ৩ ১০ সন্তান থেকেও আশ্রয়ের অনিশ্চয়তায় ৮০ বছরের জয়নব, দুই মাসের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার, অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াত নেতার পক্ষে সংবাদ সম্মেলন মতলবে উত্তর বাইশপুর গণ কবরস্থানের কমিটি গঠন শাহরাস্তির কাদরায় ৬ ছেলের ঘরে ঠাঁই হলো না ৮৫ বছরের বৃদ্ধ মায়ের মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতা ও এনজিও কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার, আটক ৮ কিশোর

ফরিদগঞ্জে সরকারি ঔষধ বিক্রি করলেন হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক!

reporter / ৩২৭ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-পরিদর্শক ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের বিরুদ্ধে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জনসেবা ফার্মেসিতে সরকারি ঔষধ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর ধরে তিনি এ কাজটি করে আসছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ১৩ ডিসেম্বর মো. সাদ্দাম নামের এক যুবক ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের কাছে পেট ব্যাথা, পাতলা পায়খানা ও আমাশয় ভাব সমস্যা নিয়ে গেলে তিনি সরকারি ঔষধ ‘মেট্রোনিডাজল’ দিয়ে ২০ টাকা নেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ।
ডাক্তার বিধান চন্দ্র দেবনাথের ফার্মেসী ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বদপুর গ্রামের মালের ভাংতি এলাকায়। মো. সাদ্দাম, পিতা- সিরাজুল ইসলামও একই এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ডা. বিধান আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, তিনি বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এ কাজটি করে আসছেন। তিনি এলাকায় প্যারাসিটামল, সেফ্রাডিন, সিফ্রোপ্লোক্সাসিন, ওমি প্রাজলসহ আরো অনেক ব্যাথানাশক ঔষধ বিক্রি করে আসছেন।
হাসপাতালের একজন কর্মচারী হয়ে দীর্ঘদিন এই অনৈতিক কাজটি করে আসছেন? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। বাংলাদেশ সরকার গরীব মানুষদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবার এই ঔষধগুলো দিয়ে আসছেন। সরকারের এই উদ্যোগকে অসাধু কিছু মানুষের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এ বিষয়ে মো. সাদ্দাম বলেন ‘আমি পেটের সমস্যা নিয়ে ডাক্তার বিধানের কাছে গেলে তিনি আমাকে এই ঔষধটি দেন এবং বিশ টাকা নেন। ঔষধটি ঠিক আছে কিনা তা দেখানোর জন্য সোহেলের কাছে গেলে জানতে পারি এটা সরকারি ঔষধ।’
অভিযুক্ত ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বার বার প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলতে থাকেন- ‘ওমুকের (একজনের নাম উল্লেখ করে) সাথে একটু কথা বলেন।’
এর প্রায় ২৫ মিনিট পর উনি সাংবাদিককে ফোন করে বলেন, ‘ভাই নিউজটি কইরেন না। আগামীকাল আপনি আমার সাথে দেখা কইরেন।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফ আহমেদ চৌধুরী বলেন,‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। বিষয়টি অনৈতিক এবং বেআইনি। আমি ঢাকায় ট্রেনিংএ আছি, এসে বিষয়টি দেখছি। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


এই বিভাগের আরও খবর