শিরোনাম:
প্রথমবার এইচএসসিতে অংশ নিয়েই উপজেলায় শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল মতলব দক্ষিণে এইচএসসিতে পাশের হার ৩৫.২৪, আলিমে ৩১.৬১,শতভাগ ফেল শামসুল হক কলেজ মতলবে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন ফলাফলে চরম বিপর্যয়, মতলব উত্তরে এইচএসসিতে পাসের হার ৩১.৯১%, আলিমে ২৮.৯৭% মতলবে মিছিল থেকে নিয়ে যুবদল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন উত্তর নাউরী সমাজ কল্যাণ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ফুটবল টূর্ণামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে দেশে আসলো সৌদি আরবে খুন হওয়া মতলবের জসিমের মরদেহ : দাফন সম্পন্ন চাঁদপুরে মা ইলিশ শিকারে ৬৪৬ জেলে আটক, ১৮৩ জনের কারাদণ্ড মতলব উত্তর উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত খাগুরিয়া গ্রামে ধনাগোদা নদী ভাঙন বাড়ছে আশংকাজনক হারে : আতংকে স্থানীয়রা

প্রথমবার এইচএসসিতে অংশ নিয়েই উপজেলায় শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল

reporter / ৪৪ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

 

মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধি:

প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেই মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় শীর্ষে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েই এ ফলাফল অর্জন তাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর মতলব উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পাশাপাশি চাঁদপুর জেলায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল।

এ সাফল্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মো. বেলায়েত হোসেন জুলহাস এবং অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন কামাল।
তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের এ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েই শিক্ষার্থীরা যে ফলাফল অর্জন করেছে, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আগামীতে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
তাঁরা আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শিক্ষানুরাগী মতলববাসীর দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন তাঁরা।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের এ সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই আনন্দিত। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।


এই বিভাগের আরও খবর