শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

কাশিমপুর উবির সভাপতির বিরোদ্ধে নিয়োগ বানিজ্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

reporter / ২৬৮ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২

মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ
মতলব দক্ষিন উপজেলার কাশিমপুর পুরন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরোদ্ধে  নিয়োগ বানিজ্যে ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় ৯ আগষ্ট কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১জন আয়া ১জন পরিচ্ছন্ন কর্মী, ১জন অফিস সহায়ক ও ১জন কম্পিউটার ল্যাব অপরেটর মোট চার জনের নিয়োগ পরীক্ষা চাঁদপুর মাতৃপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ে  অনুষ্ঠিত হয়।  এদের মধ্যে আয়া পদে ৫ জন আবেদন করেন তাদের মধ্যে ৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, পরিচ্ছন্ন কর্মী পদে ৪ জন আবেদন করেন তাদের মধ্যে ৩ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, অফিস সহায়ক পদে ৮ জনের মধ্যে ৭ জন অংশগ্রহণ করেন, এছাড়া কম্পিউটার ল্যাব অপরেটর ৫ জনের মধ্যে ২ জন উপস্থিত থাকায় তাদের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
নিয়োগ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তারা হলেন আয়া পদে হাফসা বেগম,  অফিস সহকারি পদে উৎপান গনি ও পরিচ্ছন্ন কর্মী সাখাওয়াত হোসেন,  শাখাওয়াত হোসেন সভাপতির আপন ভাতিজা। হাফসা বেগমকে চাকরী দিতে তার পরিবারের কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিয়েছে বলে জানান এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা।
 আয়া পদে পরীক্ষার্থী তানজিলা আক্তারের স্বামী শিপন বলেন আমার স্ত্রীকে চাকরী দেওয়ার কথা বলে বিদ্যালয়ের সভাপতি বিল্লাল হোসেন আমার কাছ থেকে দের লক্ষ টাকা নিয়েও চাকরী দেননী। আমি স্ত্রীর চাকরীর জন্য জমি বিক্রি করে টাকা দিয়েছি। এছারাও সাদ্দাম নামে একজনের কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন অফিস সহায়ক পদে চাকরী দেওয়ার কথা বলে। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিপংকর সরকার বলেন টাকা লেনদেনের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। সভাপতির সাথে কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের সভাপতি বিল্লাল হোসেনকে মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহিম খান বলেন সরকারী বিধি মোতাবেক নিয়েগ পরীক্ষা হয়েছে। টাকা কে নিয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।


এই বিভাগের আরও খবর