শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

কচুয়ার ইদ্রিস মুন্সি শিশু সদনে ‘সাংবাদিক নিষিদ্ধ’!

reporter / ২৫৮ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩

বিশেষ প্রতিবেদক
চাঁদপুরের কচুয়ার নলুয়া গ্রামের ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদনে সাংবাদিক নিষিদ্ধ! তথ্য সংগ্রহ করতেও কোনো সাংবাদিক এই প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন না বলে মুঠোফোনে ক্ষমতা দেখিয়ে হুংকার দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের এক কর্তাব্যক্তি।যিনি নিজেকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি দেন এবং ৯৯৯ এ ফোন করে গণমাধ্যমকর্মীদের পুলিশে দেয়ার ধমক দিয়ে অশোভন আচরণ করেন।
চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে এতিম শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত এতিম শিশুরা পাচ্ছে কিনা এমন তথ্য জানতে কচুয়ার হাজী ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদনে যান দৈনিক শেয়ার বিজ পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক প্রিয় চাঁদপুর পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক  সাংবাদিক  বেলায়েত সুমন ও অপর এক সহকর্মী। প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের পর ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ কাউছারের সাথে কথা হলে কাউছার প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিকে এই প্রতিনিধির সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে বলেন।শেয়ার বিজ পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি এতিম সম্পর্কে জানতে চাইলে অশোভন আচরণ করে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নামধারী কতিপয় ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ বলে সাফসাফ জানিয়ে দেন।কেন এখানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ? এমন এক প্রশ্নের মুঠোফোনে অপর প্রান্ত থেকে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তি বলেন,”চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এখানে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন।আপনি আমার প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে না গেলে আমি ত্রিফল নাইনে কল দিবো। আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন? প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন ক্ষমতার বলয়ে থাকা কথিত ঐ ক্ষমতাধর কর্তাব্যক্তি। পরে মাদ্রাসার এতিম শিশুদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা হাফেজ কাউছার বলেন “যার বাবা বেঁচে নেই কিন্তু মা আছে সে এতিম”। সংবাদ সংগ্রহকালে এমন পাঁচজন এতিমের খোঁজ পাওয়া গেছে এই প্রতিষ্ঠানে যাদের বাবা নেই মা আছে। যাদের নামে সরকারী ক্যাপিটেশন গ্রান্ট উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। এমন তথ্যের সত্যতা জানতেই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন এ  প্রতিনিধি।
সূত্রমতে,২০২২-২০২৩ অর্থবছরে জুলাই ২০২২ হতে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে  কচুয়া উপজেলার নলুয়া গ্রামের হাজী ইদ্রিছ মুন্সি শিশু সদন (চাঁদ-০৭(৩৮)/৮২(৮৬)-১৭/০৪/১৯৮২) এর অনুকূলে ছেলে নিবাসীর সংখ্যা ৫০ জন মেয়ে নিবাসীর সংখ্যা ২৪ জন সর্বমোট ৭৪ জন এতিম থেকে ৩০ জন এতিম শিশুর জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিশুদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখানে মাত্র ২১ জন শিশু রয়েছে।এর মধ্যে হারিচাইলের সুজন এর বাবা নেই মা আছে। হাশিমপুরের আরাফাতের বাবা নেই মা আছে, দৌলতপুরের সোহাগের বাবা নেই মা আছে।কোমরকাশার সাজিদের বাবা নেই মা আছে। মেয়ে নিবাসীর বিস্তারিত কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায়নি “এই প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক নিষিদ্ধ বলে ” হুমকি দেয়ার কারণে।


এই বিভাগের আরও খবর