নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় সহযোগিতা না করায় মারধরের অভিযোগ উঠেছ। পরে গত রোববার ১৮ জুন সহপাঠীরা মানববন্ধন করেছে।
এতে ঐ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী হাশিমপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে সাইদুজ্জামান অপুর ৫ টি দাঁত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে তার সহপাঠী । এ বিষয়ে আহত অপুর মা ফারজানা বেগম মতলব উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার চলাকালীন সময়ে দশম শ্রেণির ছাত্র অপুর খাতা দেখে দেখে লিখতে চাইছে তার সহপাঠী ইয়াছিন। অপুর খাতা দেখার জন্য বিরক্ত করে ইয়াছিন। অপু ইয়াছিন কে খাতা না দেখানাোর কারনে সহপাঠী ইয়াছিন পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ৮/৯ জন মিলে লাঠি দিয়ে অপুকে ঘিরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সহপাঠী নাদিম ও ইয়াছিন আঘাত করে। এসময় অপুর মুখের ৫টি দাঁত ভেঙে যায়। আহত অপু ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছ।
এ বিষয়ে অপুর সহপাঠীরা হামলা কারীদের বিচারের দাবিতে ১৮ জুন রবিবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন করেছে।
এ বিষয়ে অপুর মা বলেন, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার চেয়েও বিচার পাইনি। তাছাড়া মানববন্ধন করতেও শিক্ষার্থীদের বাদা প্রধান করেছে। আমার চেলেকে একবার দেখতেও আসেনি।
এ বিষয়ে এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, “আমি মানববন্ধনে বাধা প্রদান করিনি। শিক্ষার্থী অপু চিকিৎসা শেষে ফিরে এলে প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
মতলব উত্তর থানায় অফিসার ইনচার্জ ম. মহিউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, এখন তদন্তের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।