নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চাঁদপুরে আবারও কিশোর গ্যাংএর হামলায় তাফসীর মিজি নামক এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে,। আহত তাফসীর বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের ৮ ম শ্রেণির ছাত্র। সে এখন চাঁদপুর সদর হাসপাতালের পেইংবেডের MP 7 নাম্বার বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঁঞ্জালরছেন।তার মাথায় গালে চোয়ালে পেটে কানের নিচে ৫টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এঘটনায় আহত তাফসীরের বাবা মনির হোসেন মিজি (৫৬), পিতা- মৃত আব্দুল জলিল মিজি সন্ত্রাসী সবুজ (১৯), পিতা- মিন্টু, সাং- উত্তর মৈশাদী, ডাক্তার বাড়ী, ২। শান্ত ও রেড শান্ত (২১), পিতা- গিয়াস উদ্দিন পাটওয়ারী, সাং- শিলন্দিয়া, পাটওয়ারী বাড়ী, পৌর ওয়ার্ড নং-১৪, চাঁদপুর পৌরসভা, ৩। মেহেদী (১৯), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- চেয়ারম্যান ঘাট, ৪। নাজমুল খান (২৪), পিতা- আইয়ুব খান, সাং- আশিকাটি, বর্তমান সাং- নাজির পাড়া, ৫। সজীব (১৯), পিতা- শাহজাহান, সাং- খলিশাজুলী, পাটওয়ারী বাড়ী রোড, সাং- আদালত পাড়া, সর্ব থানা ও জেলা- চাঁদপুর সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে প্রত্যক্ষ্যদর্শী ঘটনার বিবরণ ও এজাহার সুত্রে জানাযায় ২৯ডিসেম্বর সন্ধ্যা অনুমান ৫ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন বাসস্ট্যান্ড আমির হোসেন অ্যান্ড কোং নামক পেট্রোল পাম্পের সামনে তাফসির মিজিকে ,হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড পথরোধ করিয়া অতর্কিত হামলা করে। তিনমাথা সবুজ নামক সন্ত্রাসী তাহার হাতে থাকা ধারালো খুর দিয়া মুখের বাম পাশে পোচ দিয়া ঠোঁট থেকে বাম কান পর্যন্ত গুরুত্বর রক্তাক্ত কাটা জখম করে। উক্ত স্থানে ২৮টি সেলাই লাগে। অপর সন্ত্রাসী রেডশান্ত তাহার হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়া আমার ছেলের মাথায় কোপ মারিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত স্থানে ১৮টি সেলাই লাগে। অন্য সন্ত্রাসী মেহেদী তাহার হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় কোপ মারে উক্ত কোপ মাথার ডান পার্শে ডান কানের পিছনে পড়িয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত স্থানে ৩টি সেলাই লাগে । এরপর আরেক সন্ত্রাসী নাজমুল তার মাথার ডান পাশে কানের উপরে কোপ নাড়িয়া সাকসেশন করে। আরএকজন সন্ত্রাসীর হাতে থাকা ধারালো খুর দিয়া পেটের ডান পাশে পৌচ দিয়া কাটা রক্তাক্ত প্রথম করে। উক্ত স্থানে ০৪টি সেলাই লাগে। এ সময় অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসীরা তাহাদের হাতে থাকা লোহার রড ও লাঠিসোঠা দিয়ে এলোপাথাড়ী পিটাইয়া তাহার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা থেতলানো রক্তাক্ত জখম করে। তারা ভিকটিমের ব্যবহৃত OPPO F19 মোবাইল যাহার মূল্য ৩২,০০০/- টাকা নিয়া যায়। আমার ছেলের শোর চিৎকার দিলে অপরাপর আশপাশের লোকজন আসিয়া সন্ত্রাসীদের কবল হইতে আমার ছেলেকে প্রাণে রক্ষা করে। এই সময় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে বলিতে থাকে যে, উক্ত বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিলে আমার ছেলেকে খুন করিয়া লাশ গুম করিবে বলিয়া হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে আশাপাশের লোকজনের সহায়তায় গুরুতর আহত তাফসির কে উদ্ধার করিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, চাঁদপুর নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর জখম গুরুতর হওয়ায় সাথে সাথে ভর্তি প্রদান করিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন। এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক( আরএমও)ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল জানান ২৯ ডিসেম্বর তাফসির নামক একজন মাথায় গালে পেটে ও শরিরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আসে আমারা তার আঘাত গুরুতর হওয়ার কারনে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছি। এ ব্যাপারে তদন্তকারি কর্মকর্তা মডেল থানার এ এস আই ইসমাইল হোসেন বলেন গত ২৯ ডিসেম্বর চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় মারামারি ঘটনায় সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত একটি অভিযোগ আমার কাছে এসেছে এ ব্যাপারে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন তাফসীর মিজিকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলাটি দায়ের করা হলে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।