শিরোনাম:
মতলবে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক মতলব উত্তরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও পরোয়ানার ৭ আসামি গ্রেপ্তার দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি নেতা তানভীর হুদা প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ নেতার আন্তরিক সহযোগিতায় দেশে আসলো সৌদি প্রবাসীর মৃতদেহ ইসলামাবাদে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্মরণে মিনিবার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত চাঁদপুর পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরের জলাতঙ্ক রোগের ভেক্সিন প্রদান সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত চাঁদপুরে সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত মতলব উত্তর থানায় বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ৪, পরোয়ানাভুক্তসহ গ্রেপ্তার ৮ বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মতলব বালিকা উ’বির সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে শিক্ষার্থীদের অঙ্গীকার করালেন ‘ক্লিন চাঁদপুর’

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযান এক মাসে ৬০০ জেলে আটক

reporter / ৩১৯ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, জাটকা সংরক্ষণের অভিযান গত ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে তা চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।  এই সময়ের মধ্যে দেশের ৫টি প্রধান অভয়াশ্রমে কোন ধরণের মাছ ধরার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমাদের নৌ পুলিশ দিন ও রাত ২৪ ঘন্টা অনবরত কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের চাঁদপুর অঞ্চলে গত ১মাস আইন অমান্য করে যারা মাছ শিকার করেছে এমন ৬ শ জন জেলেকে আটক করেছি। তাদের বিরুদ্ধে ৮০টির অধিক মামলা করা হয়েছে। ৩০টির অধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এসময়ে ৬ কোটি মিটারের অধিক কারেন্টজাল উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩৯টি জেলে নৌকা মাছ ধরা অবস্থায় জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে অভয়াশ্রম এলাকায় নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

এসপি বলেন, আজকের অভিযানের তথ্য হচ্ছে আজকে আমাদের ৬ ইউনিট কাজ করেছে পদ্মা-মেঘনা নদীতে। এই অভিযানে ১ কোটি মিটার কারেন্টজাল উদ্ধার করেছি। ৪২ জন জেলে আটক হয়েছে। এসব জেলেদের কাছ থেকে ৫শ’ কেজি জাটকা জব্দ করেছি। এই সংক্রান্ত ঘটনায় ৯টি মামলা করা হবে।

অভিযান চলাকালীন সময়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ নেই এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, আসলে পদ্মা-মেঘনা নদী হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এই বিস্তীর্ণ এলাকা আমাদের যে পরিমান জনবল ও লজিস্ট্রিক সাপোর্ট রয়েছে তা দিয়ে একসঙ্গে নজরদারীতে রাখা অসম্ভব। বিশেষ করে রাত্রি বেলায়। টস লাইট দিয়ে কতটুকু নজরদারিতে আনতে পারবেন। অর্থাৎ আমরা ১ থেকে সোয়া কিলোমিটার দেখতে পারব। কিন্তু এখানে পদ্মা-মেঘনার মোহনা এপাড় থেকে ওপাড় ১৫ কিলোমিটার। আমাদের একটি ইউনিট এই প্রান্তে থাকলে অপরপ্রান্তে কি হচ্ছে সেটা আসলে জানাযায় না। কিন্তু নৌপুলিশ যখন যায়, তখনই তাদেরকে (জেলেদের) হাতে নাতে আটক করে। সে কারণেই এত সংখ্যক আটক হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং আমাদের এই কাজ অব্যাহত আছে।

অভিযানে নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন শিকদার, চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনার্চজগণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে নৌ পুলিশের প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য অংশগ্রহন করে।


এই বিভাগের আরও খবর