শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে ভাই-বোনের সংঘাত 

reporter / ২২৬ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২

নিজ ঘরের আগুণ নেভাতে পারছেন না ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ফরিদগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বছরের পর বছর ধরে দুই ভাই ও বোনদের মধ্যে বিরোধ কোন ভাবেই মিটছে না। বরং দিনের পর দিন বাড়ছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে ছোট ভাই ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা হলেও নিজেদের ঘরের আগুণ নিভাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। ঘটনাটি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের দত্রা গ্রামের।
জানা গেছে, দত্রা গ্রামের আমিন উল্ল্যা শেখের বাড়ির দুলা মিয়ার দুই ছেলে ও ছয় মেয়ে। ১৯৯৪ সালে দুলা মিয়া ১২৫ বছর বয়সে মারা যান। ২০০৮ সালে মারা যান দুলা মিয়ার স্ত্রী। বাবা বৃদ্ধ হওয়ার কারণে দুলা মিয়ার বড় ছেলে মিজানুর রহমান বাদশা দেশে ও প্রবাসে চাকরি করেছেন। চাকুরির অর্থ দিয়ে তিনি ভাই বোনদের সহযোগিতা করেছেন। নিজের অর্থ দিয়ে বাড়িতে চৌচালা ঘর করেছেন। কিন্তু গত ৭/৮ বছর আগে হঠাৎ করেই জমি জমা নিয়ে ভাইবোনদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। স্থানীয়ভাবে একেরপর এক শালিশী বৈঠক হলেও বৈঠকের রায় কেউই মানছেন না। ফলে ভাই-ভাইয়ে, ভাই-বোনে থানা এবং আদালতে মামলা সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছেই।
বড় মিজানুর রহমান জানান, তাই ছোট ভাই মনির হোসেন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স’র সহকারি পরিচালক (প্রশিক্ষণ)। মূলত তার চাকরির কারণে সে দাপট দেখিয়ে আমাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টায় লিপ্ত। এমনকি বোনেরাও ছোট ভাইয়ের সাথে হাত মিলিয়েছে। গত মাসাধিক কাল পূর্বে বাড়ির ভাড়াটিয়াকে উঠিয়ে দিয়ে বাড়িতে তালাবদ্ধ করে দেয়। সর্বশেষ কয়েকদিন পূর্বে আমার রোপনকৃত গাছগাছালি কেটে ফেলে।
অন্যদিকে ছোট ভাই মনির হোসেন জানান, বড় ভাই মিজানুর রহমান ইতিপূর্বে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি সব বিক্রয় করে দিয়েছে। সে যে সম্পত্তি পাবে। তার থেকে অনেক বেশি বিক্রয় করেছে।
স্থানীয় শালিশদার মিজানুর রহমান ভদ্র জানান, বড় ভাই ব্যতিরেকে অন্য ভাই ও বোনেরা একজোট। আমরা বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছি সমাধানের। কিন্তু সালিশী রায় মানেনা তারা।
স্থানীয় এলাকার লোকজন জানায়, মিজানুর রহমানের নিজের অর্থ দিয়ে বাড়ি করলেও সেই বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে তার ভাই বোনেরা। ছোট ভাই মনির হোসেন চাকুরির সূত্রে মানুষের ঘরের আগুণ নিভানোর কাজ করলেও নিজের ঘরের আগুণ নিভাতে পারছেন না।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটওয়ারী বলেন, তাদের দুই ভাইয়ের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। এক ভাই সালিশ মানলে আরেক ভাই মানেনা। এছাড়া মনির নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার নিরপরাধ কিছু মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। যা ঠিক নয়।


এই বিভাগের আরও খবর