শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

মতলব উত্তরে সরকারি খাল ভরাট করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

reporter / ২৩৩ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২

মতলব উত্তর প্রতিনিধিঃ
মতলব উত্তরে সরকারি খাল ভরাট করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শত বছরের পুরোনো খালটি বন্ধ হওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
মতলব উত্তর উপজেলার নওদোনা গ্রামের বাসিন্দা ও নিশ্চিন্তপুর বাজারের ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আ. রশিদ নামে এক ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে আইনবহির্ভূত খালটি ভরাট করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এদিকে খালের অপর পাশে অর্ধশতাধিক পরিবার স্বাধীনতার পর থেকেই বাঁশের সাকো ব্যবহার করে যাতায়াত করছেন। ব্যক্তি প্রয়োজনে ভরাট করা সরকারি খালটি পুনরুদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর বাজার এলাকার ১নং খতিয়ানভুক্ত শত বছরের পুরোনো সরকারি খাল ভরাট করে দোকানপাট নির্মাণ করেন আবদুর রশিদ। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি নিষ্কাশন খাল হিসেসে কালিপুর পাম্প হাউজের খালের সঙ্গে সংযুক্ত এ খালটি  বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তৈরি হতে পারে জলাবদ্ধতা। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়ে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
দীর্ঘদিন ধরে খালটি আশপাশের মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি কৃষিকাজের জন্য ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছিল। কিন্তু এটি বন্ধ করায় নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর কাদের বলেন, আবদুর রশিদ ক্ষমতা দেখিয়ে তার নিজের স্বার্থের জন্য খালটি ভরাট করেছে। এতে এবার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। সামনের বর্ষায় পানি বাড়লে আমাদের বাড়িঘর তলিয়ে যেতে পারে।
সরকারি খাল ভরাট করার কথা স্বীকার করে আবদুর রশিদ বলেন, সরকারের প্রয়োজনে ঘর ভেঙ্গে দিবো। মাটি সরিয়ে দেয়া হবে।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কেউ আমাদের অভিযোগ করেনি। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।
দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোকারম হোসেন খান ওপেল বলেন, খালটি ভরাট করেছে শোনেছি। ভরাট করার সময় কেউ বাধা দেয় নাই। আমি ইউনিয়ন পরিষদে এখনো কেউ অভিযোগ করে নাই। এ ব্যাপারে আমি আবদুর রশিদের সঙ্গে কথা বলব। যদি নিয়মবহির্ভূত সে খাল ভরাট করে থাকে, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল হাসান বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি আইনবহির্ভূত সরকারি খাল ভরাট করে থাকে, তাহলে এ ব্যাপারে আমরা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


এই বিভাগের আরও খবর